চট্টগ্রাম থেকে: ‘যখন কেউ চার-পাঁচটা করে ক্যাচ মিস করবে, প্রত্যেক দলের জন্য তো নেতিবাচক অবশ্যই।’ উপলব্ধিটা বাংলাদেশের টেস্ট কাপ্তান মুশফিকুর রহিমের।
একাধিকবার জীবন পাওয়া ব্যাটসম্যান যখন শতক হাঁকিয়ে খেলা বের করে নিয়ে যান, প্রতিপক্ষ অধিনায়কের এই ধরনের হাহাকার হওয়াটাই তো স্বাভাবিক। সঙ্গে আরেকটা হাহাকার মুশফিকের কণ্ঠে স্পষ্ট। সেটা ‘স্পেশালিষ্ট’ ফিল্ডারের জন্য।
চট্টগ্রাম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে অধিনায়ক স্মিথের সঙ্গে ৯২ ও পিটার হ্যান্ডসকম্বের সঙ্গে ১৫২ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের হাত থেকে ম্যাচ বের করে নিয়ে গেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। বাংলাদেশের মাটিতে পেয়েছেন টানা দুই শতক। সেই শতকে অবদান আছে টাইগারদেরও। একাধিকবার ওয়ার্নারকে জীবন উপহার দিয়েছে স্বাগতিক ফিল্ডাররা।
শেষ পর্যন্ত মোস্তাফিজের বলে ইমরুলের হাতে ধরা পড়ে সাজঘরে ফেরেন ওয়ার্নার। এই অজি বাঁহাতির ক্যাচ তিনদফা চেষ্টার পর ধরতে পেরেছেন ইমরুল। ঢাকা টেস্টেও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে স্লিপে ধরা সৌম্য সরকারের তিনটি অসাধারণ ক্যাচের প্রতিটি হাতে এসেছে দুদফা চেষ্টায়।
স্পেশালিষ্ট না হওয়া সত্ত্বে স্লিপে দাঁড়ানোয় ক্যাচ পড়ছে একাধিক। মুশফিকের আফসোস সেই অর্থে কোন স্লিপ ফিল্ডার খুঁজে না পাওয়ায়, ‘আমাদের দলে সেরকম অর্থে কোন স্লিপ ফিল্ডার নেই। যেটা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যান্য দলের আছে। তারা ওই কাজগুলো সবসময় করে থাকে। আমাদের ওইরকম খুব কম স্পেশালিষ্ট আছে।’
সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার জ্বালা থাকলেও সতীর্থদের নিবেদন নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই মুশফিকের, ‘আমাদের শুধু মিস করা দেখলেই হবে না। আমাদের কিছু অসাধারণ ক্যাচও আছে। মিস হতেই পারে। কিন্তু সত্যি বলতে আমরা অন্য দলের থেকে বেশিই করে ফেলছি। এটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।’
ছবি: সাকিব উল ইসলাম








