চট্টগ্রাম থেকে: দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার ছিল এলোমেলো। এদিন চারে ব্যাট করেছেন নাসির হোসেন। পাঁচে সাকিব, অধিনায়ক মুশফিক ছিলেন তারপরে। কিন্তু টেস্টের পরীক্ষিত ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক ব্যাটে নামেন আট নম্বরে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটিং অর্ডারের এই পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
মুশফিকু বলেন, ‘ডান-বাঁহাতি সমন্বয়ের জন্যই এটা করা। চেষ্টা করেছি আমাদের ব্যাটসম্যান অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে। তবে হ্যাঁ, যারা ওই সময় খেলেছে, তারা ভালো খেললে হয়তো টেস্ট অন্য রকম হতে পারত। সত্যি বলতে আমরা সেরাটাই দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের দুর্ভাগ্য।’
সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ব্যাটিংয়ের চার নম্বর পজিশন নিয়ে। এই পজিশনে ভাল অভিজ্ঞতা ছিল মুমিনুল হকের। কিন্তু তাকে না নামিয়ে নামানো হয় নাসিরকে। প্রথম ইনিংসেও ভালো খেলার ইঙ্গিত দেওয়া মুমিনুলকে আটে নামানো যৌক্তিকতা কি?
মুশফিকের ব্যাখ্যা, ‘যদি দেখেন গত কয়েক টেস্টে চারে খেলার ওরকম বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান আমাদের নেই। সাব্বির কিছু ম্যাচে খেলেছে। ওই পজিশনে আমরা যতটা আশা করেছিলাম, ততটা ওর কাছ থেকে পাচ্ছিলাম না। আগের ইনিংসে সাব্বির সাতে ভালো করেছে। সাকিব সব সময়ই পাঁচে খেলে। নম্বর তিনে মুমিনুল অনেকবার খেলেছে। ওপেনিংয়ে খেলার মতো তিনজন আছে। জায়গাটা পরিবর্তন করা তাই কঠিন হয়ে যায়। আমরা ভেবেছিলাম, মাঝে যদি একজন ডানহাতি ব্যাটসম্যান থাকে, তাহলে ওদের একটু সমস্যায় ফেলা সম্ভব হবে।’
সেক্ষেত্রে মুশফিক নিজেও চারে নেমে যেতে পারতেন। যাননি, সে সম্পর্কে বাংলাদেশ অধিনায়কের মন্তব্য, ‘শুধু আমি কেন, যে কারও জন্য এমন অবস্থায় খেলা যথার্থ নয়। যেটা বললাম, কৌশলগত পদক্ষেপ ছিল এটা। আমার কথা যদি বলেন, ১২০ ওভার কিপিং করে যদি আবার চারে নামতে হয়, তাহলে বলব এটা কারও একার দায়িত্ব নয়। টেস্টে এমনটা হতে পারে না যে, আপনি আগে ব্যাটিং করলে চারে খেলবেন কিংবা পরে ব্যাটিং করলে ছয়ে খেলবেন। বিশ্ব ক্রিকেটে এমনটা কমই দেখা যায়।’
ছবি: সাকিব উল ইসলাম







