মন্ত্রিসভার বৈঠকে আওয়ামী লীগের নব নির্বাচিত সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে অভিন্দন জানানো হয়েছে। খেতাবপ্রাপ্ত ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের মাসিক ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কার্যপরিধি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বীরশ্রেষ্ঠের ভাতা ১২ হাজার থেকে বেড়ে ৩০ হাজার, বীর উত্তম ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার, বীরবিক্রম ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার এবং বীর প্রতিক ৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা পাবেন। পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে এ ক্যাটগরির মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ৩০ হাজার থেকে বেড়ে ৪৫ হাজার টাকা, বি ক্যাটাগরি ২০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা এবং সি ক্যাটাগরি ১৬ হাজার থেকে ৩০ হাজার, ডি ক্যাটাগরির ভাতা ৯ হাজার ৭শ’ থেকে বেড়ে ২৫ হাজার হবে। শহীদ পরিবারের ভাতা ১৫ থেকে ৩০ হাজার হয়েছে। যুদ্ধাহত পরিবারের সম্মানী ভাতা ১৫ হাজার থেকে বেড়ে হলো ২৫ হাজার টাকা। বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার ২৮ হাজার থেকে বেড়ে ৩৫ হাজার টাকা পাবে।
বর্তমান সরকারের ১২৪ তম মন্ত্রীসভার বৈঠক বসে সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে সোমবার সকাল ১০ টায়। সেখানে আগেই উপস্থিত হন মন্ত্রিসভার সদস্য ও সচিবগণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাস্থলে পৌঁছার আগে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উপস্থিত হলে তাকে শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
প্রধানমন্ত্রী ও নব নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা উপস্থিত হলে তাকে শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রিসভার সদস্যগণ।
বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয় বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন আইন ২০১৬ এবং জাতীয় লবননীতি ২০১৬ এর। খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বিতরণ নীতিমালা ২০১৬ এর খসড়া এবং খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারবর্গের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। যা এবছরের জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হবে।







