জাতীয় সংগীতের শক্তিতে উজ্জীবিত সাবেক ছিটমহলের নাগরিকরা। নতুন করে স্বাধীনতার পর প্রথম বিজয় উৎসব শেষে ৬৮ বছরের অবহেলিত জনপদে জেগেছে প্রাণের স্পন্দন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে আগামীর পথ চলার প্রত্যয় বাংলাদেশের নতুন নাগরিকদের।
ছিটমহল বিনিময় চুক্তির মধ্যদিয়ে ৬৮ বছরের নাগরিকত্বহীন বন্দি জীবন থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশের নাগরিক হয়েছেন একশ ১১ টি ছিটমহলের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। এসব মানুষের জন্য ছিল না কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ছিল না হাসপাতাল কিংবা কোন প্রকার মানবিক সুবিধা। মনে প্রাণে বাংলাদেশকে ধারণ করে থাকা এসব মানুষের বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস বা ২১ ফেব্রয়ারীর পালন করাও সম্ভব ছিল না।
বাংলাদেশের নতুন নাগরিকদের জন্য ১৬ ডিসেম্বর পঞ্চগড়ের বিলুপ্ত গাড়াতি ছিটমহলে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও চ্যানেল আইয়ের সহযোগীতায় বিজয় উৎসব আয়োজন করে গ্রামীণফোন।
প্রথম বিজয় উৎসবে নিজেদের নতুন করে চেনার আর জানার পথ খুঁজে পেয়েছে বিলুপ্ত ছিটমহলের নাগরিকরা।
বাংলাদেশের যে কোনো সংকটে যে কোনো প্রয়োজনে আত্মনিয়োগ করতে চায় বাংলাদেশের এসব নতুন নাগরিক।







