আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকরণ আইনের খসড়া পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে শিগগিরই সংসদে উত্থাপন করা হবে। আইনে সাজার প্রস্তাব বিষয়ে তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করা গুরুতর অপরাধ তাই এ সাজা ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।
বুধবার সকালে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সরকারী আইনজীবীদের কর্মশালায় এসে তিনি এ কথা বলেন্।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী আইনজীবীদের মামলার জট কমাতে দায়িত্বশীল ভুমিকা রাখার আহ্বান জানান।
পরে গতকাল আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকরণ অপরাধ আইন ২০১৬ খসড়া নিয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জানান আইনমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, এই আইনটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আইনের খসড়ার খুটি-নাটি পরীক্ষা করে সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা উচিত। তা পরীক্ষা করতে যতোদিন সময় লাগে ততদিনই লাগবে। তবে আমি মনে করি হয়তো বেশি দিন লাগবে না।
খসড়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের সাজা দেওয়ার যে প্রস্তাব করা হয়েছে আইন কমিশন থেকে সে বিষয়েও মন্তব্য করেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, এই রকম অপরাধে যে শাস্তি, তা নিয়ে আলোচনার দরকার আছে। তবে সর্বনিম্ন ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ১০ বছর করলে ভালো হয়।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকরণ আইন করার কথা বলার পর থেকেই বিকৃতিকারীরা চুপ করে গেছেন বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।







