প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা এমন পরিবেশ চাইনা যেখানে বোমা ও জ্বালাও-পোড়াও এর মধ্যে শিশুরা বেড়ে উঠবে। দেশে একটিও যেন পথশিশু না থাকে সে ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের ইতিহাস জেনে শিশুরা জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে।
বিশ্ব শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনে বাসযোগ্য উন্নত দেশ গড়ে দিতে বর্তমানকে উৎসর্গ করার আহবান জানিয়েছেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘শিশু গড়বে সোনার দেশ, পায় যদি সে পরিবেশ’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হোক, একটা উন্নত দেশ হোক, এদেশের বিভৎস চেহারা মানুষ দেখেছে। সরকার উৎখাতের নোমে ছোট্ট শিশু ও নারীদের পুড়িয়ে মারার ঘটনার নিন্দা করার ভাষা আমাদের নেই। আমাদের শিশুরা সেই ধরণের পরিবেশে আবার পড়ুক সেটা আমরা চাই না। সেজন্য দেশবাসী সচেতন হোক সেটাই আমরা চাই।
শিশু অধিকার সপ্তাহের উদ্বোধনীতে শিশুদের পেয়ে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী শিশুদের উদ্বুদ্ধ করে বললেন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের ইতিহাস জেনে শিশুরা জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে। স্কুলগুলোকে শিশুদের নিরাপত্তা এবং ছুটির পর রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। শিশুদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ ও গৃহকর্মীদের ওপর নির্যাতন বন্ধেও দৃঢ় অবস্থান প্রধানমন্ত্রীর।
তিনি বলেন, ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করেছি। সেখানে কেন আমাদের শিশুরা রাস্তায় ঘুরবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিচ্ছি যেন একটা শিশুও রাস্তায় ঘুরবে না, তারা এভাবে মানবেতর জীবনযাপন করবে না। কেউ প্রতিবন্ধী হলে সেটা তার দোষ না। তোমাদের এমন কোনো বন্ধু থাকলে তাকে তোমরা সবসময় সহযোগিতা করবে।
অনুষ্ঠানে বাল্যবিবাহ রোধসহ শিশুদের নিয়ে নানা জনসচেতনতামূলক নাটিকা ও পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়, যা উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







