মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানি থেকে অবশেষে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন সদ্য অবসরে যাওয়া বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, আইন মেনেই মামলায় অংশ নিয়েছিলেন তবে বৈরী পরিবেশের কারণে মামলা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছেন। সরকারি সুবিধা নিয়ে মামলা পরিচালনা করাকে আবারও অনৈতিক বললেও বিচারপতি নজরুল ইসলামের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন এটর্নি জেনারেল।
আপিল বিভাগে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতিকে মামলা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান অবসরে যাওয়া বিচারপতি নজরুল ইসলাম। পরে আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বারের সামনে লিখিত বিবৃতি পাঠ করে শোনান তিনি।
তিনি দাবি করেন, গত বছর অবসরে যাবার পর তিনি আইনজীবী হিসেবে অন্য কয়েকটি মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন যেখানে এটর্নি জেনারেলও ছিলেন।
সরকারি সুবিধা থাকা অবস্থায় মামলার কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার বিষয়টি এটর্নি জেনারলেই প্রথম প্রধান বিচারপতির নজরে আনেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে রোববার আদালত অঙ্গনে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী মামলা পরিচালনায় থাকছেন না।
এটর্নি জেনারেল বলেছেন বিচারকদের জন্য কোন বিধি বিধান হবে কিনা তা প্রধান বিচারপতির বিষয়।






