মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানি শুরু হয়েছে আপিল বিভাগের পুনর্গঠিত বেঞ্চে। প্রথম দিনে আসামীপক্ষ লিখিত জবাব জমা দিয়ে উপস্থাপন করেছেন অভিযোগ ও কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্য। এইসময় আসামী পক্ষে একজন সদ্য সাবেক বিচারপতিসহ সিনিয়র আইনজীবীরা সার্বক্ষনিক উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দিনের শুনানি শেষে বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করেন আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার সকালে আপিল শুনানি শুরু হয় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে বেঞ্চে। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার এবং বিচারপতি বজলুর রহমান।
শুনানিতে যেসব অভিযোগে মীর কাশেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম শাহজাহান। লিখিত বক্তব্যও জমা দেওয়া হয়েছে। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম উপস্থিত ছিলেন। শুনানি শুরুর কথা জানিয়ে এটর্নি জেনারেল আসামীপক্ষে একজন সদ্য সাবেক বিচারপতিসহ সিনিয়র আইনজীবীদের উপস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন।
মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে ১০টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে দুটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ৮টি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে শুনানি ২ ফেব্রুয়ারি শুরুর কথা থাকলেও আসামীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে পিছিয়ে ৯ ফেব্রয়ারি ঠিক করা হয়। শুনানিতে প্রথম দিনে ১০ অভিযোগ ও রাষ্ট্রপক্ষের ১৮ সাক্ষীর বক্তব্য উপস্থাপন করে আসামীপক্ষ।
২০১৪’র ২ নভেম্বর একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মীর কাশেম আলীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।







