খ্রিস্টধর্মীয় গুরু পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমারে প্রথমবারের মতো সফরের উদ্দেশ্যে ভ্যাটিকান থেকে রওনা দিয়েছেন। রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই সফর নিয়ে আলোচনার মূল বিষয়: সফরে মিয়ানমারের নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীকে পোপ ‘রোহিঙ্গা’ নামে সম্বোধন করছেন কিনা।
মিয়ানমার সরকার রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কখনোই তাদের নিজস্ব নৃতাত্ত্বিক ‘রোহিঙ্গা’ নামে স্বীকৃতি দেয়নি। এমনকি দেশটির বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর তালিকায়ও নেই রোহিঙ্গারা। বরাবরই তাদেরকে ‘মিয়ানমারের মুসলিম অধিবাসী’, ‘অবৈধ জনগোষ্ঠী’ এবং অনেক সময় ‘বাঙালি’ বলেও পরিচয় দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্বও নেই।
পোপ রোহিঙ্গাদের রোহিঙ্গা নামে সম্বোধন করবেন – এমন সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের মতে, তিনি ‘রোহিঙ্গা’ নামটি ব্যবহার করলে কিছু ক্ষেত্রে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
উদারপন্থি দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বজুড়ে অন্যায়-অবিচারের নিন্দা জানাতে আগ্রহ প্রকাশের জন্য সুপরিচিত ৮০ বছর বয়সী এই ধর্মীয় নেতা। মিয়ানমার সফরে দেশটির ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি এবং পরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার দেখা করে আলোচনা করার কথা রয়েছে।
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ সফরে আসবেন পোপ ফ্রান্সিস। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ছোট একটি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।








