ফরিদপুরের পদ্মাপাড়ের বাসিন্দারা মিষ্টি কুমড়া চাষ করে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়েছেন। পাট ও পেঁয়াজের পর অন্য ফসলের চেয়ে মিষ্টি কুমড়া চাষ বেশী লাভজনক হওয়ায় কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে।
ফরিদপুর সদর উপজেলার পদ্মাপাড়ের নর্থ চ্যানেল, চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের মাঠে মাঠে চৈতালি কুমড়ার সমারোহ। প্রতিটি কুমড়ার ওজন ২০ থেকে ৩০ কেজি । এক একটি কুমড়ার পাইকারি দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা। ফরিদপুরের এক কুমড়া চাষী বলেন, পেয়াজের জমিতে যে সার ওষুধ দেই ওই সার ওষুধেই মিষ্টি কুমড়ার আবাদ হয়। এর জন্য আলাদা সার দিতে হয় না।
পাইকাররা স্থানীয় হাট ও এলাকার ক্ষেতে গিয়ে অল্প দামে মিষ্টি কুমড়া কিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করেন। কার্তিক-অগ্রায়ণ মাসে সাথী ফসল হিসেবে মুড়িকাটা পেঁয়াজের সাথে মিষ্টি কুমড়ার বীজ বপন করা হয়। পেঁয়াজ তোলার পর পরই মিষ্টি কুমড়া পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এক পাইকার বলেন, এখানে মিষ্টি কুমড়া ভালো পাওয়া যায় বলে আমরা এখানে এসেছি।
মিষ্টি কুমড়া চাষাবাদে পরাগায়ন ও সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ। ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জি এম আবদুর রউফ বলেন, এই কুমড়া চাষে সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যপকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করছি। এই সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে মাছি পোকা দমন করা সম্ভব হয়েছে।
এ বছর ফরিদপুর জেলায় তিনশ’ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ হয়েছে।






