কয়েক মাসের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ মানুষদের মধ্যে কমপক্ষে ৬৩ জনের বিষয়ে জঙ্গি সন্দেহে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছে। এদের বেশিরভাগই উচ্চশিক্ষিত, প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন এবং মাঝে মাঝে পরিবারের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আগে গ্রেফতার হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
নিখোঁজ জঙ্গিদের একজন তাহমিদুর রহমান। দেশসেরা একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল থেকে ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল শেষ করে নামকরা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা প্রশাসন বিষয়ে লেখাপড়া করে মালয়েশিয়ায় ছিল সে। তার প্রয়াত পিতা একসময় সচিব এবং পরে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন।
চার ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট তাহমিদ স্বঘোষিত জঙ্গি জানার পর থেকে বাড়িটিতে নীরবতা নেমে এসেছে। পুলিশ তার সন্ধানে আসার পর বড়ভাই পরিচয়ে একজন দাবি করেন, ৭ মাস ধরে নিখোঁজ তাহমিদ।
তাহমিদের এক স্বজন জানান, তাহমিদ সবসময়ই মায়ের অবাধ্য ছিল। পরে তার মধ্যে ধর্মীয় উগ্রবাদও লক্ষ্য করা গেছে। হঠাৎ করেই সে উধাও হয়ে যায়। আমাদেরকে মালয়েশিয়ায় যাবে বলে জানিয়েছিল। ধর্মীয় ব্যাপারে তার মধ্যে একটা উগ্রবাদী ঝোঁক ছিল। তার বাবা মরে যাওয়ার পর সে এতোটাই অবাধ্য হয়ে গিয়েছিল যে মায়ের কোনো কথা শুনত না।
নিখোঁজ আরো কয়েকজনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কথা বলতে চাননি। আর এরকম তিনটি পরিবারও আত্মগোপনে চলে গেছে।








