আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এক এগারোর সময় ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, কোনো সম্পাদকের ব্যাপারে আলোচনা-সমালোচনা মানে এই নয় যে, সরকার গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আইএফজে, হিউম্যান রাইটস্ ওয়াচের প্রতিবেদনগুলো নিয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে তথ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের নানা বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা সত্য আড়াল করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবৃতি দিচ্ছে।
হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক চোখা নীতি গ্রহণ করে নিয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, অ্যামনেস্টি অপরাধীদের পক্ষে উকালতির পথ বেছে নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা যা ইচ্ছা তাই বলতে থাকবে, খন্ডিত তথ্য প্রকাশ করবে, আর সেটা আমাদের হজম করতে হবে। তারা গণতন্ত্র গেল গেল বলে চিৎকার করবে সেটা আমরা মেনে নিতে পারি না।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় নিয়ন্ত্রণ আরোপের কোনো নীতি সরকারের নেই।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের জন্য বিজ্ঞাপনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে না, করছেও না। সে সুযোগ সরকারের নাই, সরকারি বিজ্ঞাপন সবাই পাচ্ছে। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কোথায় কীভাবে তাদের বিজ্ঞাপন প্রচার করবে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারের সঙ্গে সরকার বৈরিতা করছে এমন কথা ঠিক নয়। তার প্রমাণ হলো এই দুটি পত্রিকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, এমপি ও মন্ত্রী নিয়মিত উপস্থিত থাকেন।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে সরকার নয় সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরাই মামলা দায়ের করেছে।






