ত্রিদেশীয় ও শ্রীলঙ্কা সিরিজ সামনে রেখে মিরপুরের একাডেমি মাঠে চলছে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন ক্যাম্প। পরপর দুটি হোম সিরিজের জন্য টাইগারদের প্রাথমিক দলে রয়েছেন ৩২ ক্রিকেটার। দলটা অবশ্য ছোট হয়ে যাবে কয়েকদিনের মধ্যেই। ৭ জানুয়ারি ঘোষণা করা হতে পারে চূড়ান্ত দল। তার আগে প্রাথমিক দলে থাকা ক্রিকেটাররা ভাগ হয়ে ৬ জানুয়ারি খেলবে একটি দিবা-রাত্রির প্রস্তুতি ম্যাচ।
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে খেলা দলের একটির নাম হবে বিসিবি লাল একাদশ। অন্যটি বিসিবি সবুজ একাদশ। মাশরাফী-সাকিব হবেন একে অন্যের প্রতিপক্ষ, নেতৃত্ব দেবেন দুদলকে।
চূড়ান্ত দল ঘোষণার পর ৯ জানুয়ারি হবে আরেকটি ম্যাচ। জাতীয় দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন মঙ্গলবার এসব তথ্য জানান।
তিন জাতির আসর হবে ওয়ানডে ফরম্যাটে। তারপর শ্রীলঙ্কার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে রয়েছে টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি। তিন ফরম্যাটের জন্য শেষপর্যন্ত নির্বাচকরা বেছে নেবেন ১৭-১৮ জনকে। বাকিরা নেমে যাবেন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) খেলতে। ৯ জানুয়ারি শুরু হবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের দ্বিতীয় আসরটি।
বুধবার জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসল ও স্পিন বোলিং কোচ সুনিল যোশি। পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ যোগ দেবেন তারও দু’দিন পর। খালেদ মাহমুদ আশা করছেন ৫ জানুয়ারির মধ্যে কোচিং স্টাফের সবাইকে পেয়ে যাবে দল।
আগামী ১৫ জানুয়ারি মিরপুরে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তিন জাতির আসর। টুর্নামেন্টে অপর দল শ্রীলঙ্কা। দুটি দলের জন্য দুই ধরনের পরিকল্পনা আঁটছে বাংলাদেশ।
দলের পরিকল্পনা নিয়ে খালেদ মাহমুদ বললেন, ‘সত্যি কথা বলতে জিম্বাবুয়ে এক ধরনের টিম, তারা এক স্টাইলে খেলে। আবার শ্রীলঙ্কা আরেক ধরনের টিম। দুটো দলের সাথে আমাদের হয়ত দুই ধরনের পরিকল্পনা থাকবে। এজন্য দলে ছোটখাট পরিবর্তন তো থাকবেই। তবে বড় কোন পরিবর্তন আসবে না। যদি দেখি অনেক কিছু দরকার, এই সিরিজ জেতার জন্য পিছপা হবো না কোন কিছু করতেই।’
‘যেটা ভাল হয় কম্বিনেশনের জন্য সেটাই আমরা করব। নির্বাচকরা আছেন, মাশরাফী-সাকিবরাও অনেক অভিজ্ঞ। দেশের মাটিতে খেলা, আমরা জানি কী ভাল হতে পারে। সবকিছু মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত হবে।’ যোগ করেন খালেদ মাহমুদ।







