জাতীয় ক্রিকেট দলের দুই মহাতারকা মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও সাকিব আল হাসান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে মঙ্গলবার ইঙ্গিত দেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ‘তারা যদি নির্বাচনে আসেন, তাহলে তাদের ভোট দেবেন।’ -পরিকল্পনামন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পর সারাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে বিষয়টি। সাকিব-মাশরাফী যদিও নীরবতা ভাঙেননি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে থাকেন সবশ্রেণির মানুষ।
জাতীয় দলের সাবেক কোচ ও ক্রীড়ালেখক জালাল চৌধুরী ফেসবুক প্রতিক্রিয়ায় লেখেন, ‘স্বাভাবিকভাবে সামনে কিছু হলে হবে। অহেতুক আমাদের ক্রিকেট মনস্কতাকে বিরক্ত করা কেন? হাতের তালুতে এখন গুরুত্বপূর্ণ খেলা। আপাতত সেদিকেই মনোসংযোগ জরুরি।’
সাংবাদিক ফজলুল বারী লেখেন, ‘বাংলাদেশ দলের সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সফরের সময় নেলসন বিমানবন্দরের এক ছোট আড্ডায় মাশরাফি বলছিল তার এলাকার মুরব্বিরা বাড়ি এসে তাকে নির্বাচন করতে বলে। মাশরাফিকে তখন মুখের ওপর বলেছিলাম এটা ঠিক হবেনা। এখন আপনি যে সর্বজনীন তা খর্ব হবে। আমার এই বক্তব্য তখন মাশরাফির পছন্দ হয়েছে মনে হয়নি। মাশরাফিকে আবার বলছি, আপনার আজকের অবস্থানের কাছে একটা দলের এমপি খুব ছোট একটা পদ।’
অনুবাদক ও সাংবাদিক রওশান জামিল চৌধুরী লিখেছেন, ‘বাজারে গুঞ্জন মাশরাফি-সাকিব জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে পারেন। যদি তা করেন, সেটা হবে তাঁদের জীবনের চরম ভুল। বীর হিশেবে এ দুজন দলমত নির্বিশেষে দেশবাসীর আকুণ্ঠ ভালবাসা পেয়েছেন। দলীয় রাজনীতিতে জড়ালে সেই নিষ্কলুষ ভাবমুর্তি কলঙ্কিত হবে।’
‘একটা কথা ভেসে বেড়াচ্ছে বাতাসে- সাকিব আর মাশরাফি নাকি ইলেকশন করবেন! আপনার মত কি? ওদের কি ইলেকশন করা উচিত?’ :স্ট্যাটাসে একথা লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন সাহিত্যিক-সাংবাদিক আনিসুল হক। তার কমেন্ট বক্সে দেশের রাজনৈতিক বিভেদের মতোই পক্ষে-বিপক্ষের প্রতিক্রিয়া এসেছে। বেশিরভাগ মন্তব্য না-সূচক থাকলেও হ্যাঁ বলার মানুষও কম ছিল না।
কমেন্টে আবু মকসুদ নামের একজন লিখেছেন, ‘মাশরাফি-সাকিব দ্বিধাবিভক্ত, হতাশ বাঙালির কাছে দুটি স্বস্তির নাম.. অনেক অনৈক্যের বিপরীতে এদুটি নাম কিছুটা হলেও ঐক্যের সাক্ষর রাখে.. বাঙালির কাছে সার্বজনীন কোনকিছু বেশিদিন টিকে না, আমরাই এগুলোকে নষ্ট করে দেই… জাতীর হৃদয়ে মাশরাফি নামের জন্য বিশেষ স্থান আছে, ঠিক তেমনি সাকিব নামের জন্য আছে.. সরকারের কোন একমন্ত্রী এদের গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত, তাদের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার ইচ্ছায় রাজনীতির নষ্ট বলয়ে টানার প্রয়াস করছে.. মাশরাফি, সাকিবের উচিত নষ্টদের থেকে শতহাত দূরে থাকা..’
তৌহিদা হানফি মাহমুদ নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘মাশরাফির ইলেকশন করা উচিত। সাকিবের খেলায় মননিবেশ করা উচিত। দুটোই দেশের জন্য করা।’
জাকিয়া আহমেদ নামের একজনের সেখানে সোজাসাপ্টা মন্তব্য, ‘একদম না। হলেও সেটা আরও অনেক পরে।’
মন্তব্যে সাকিল আহমেদ লিখেছেন, ‘অবশ্যই তাদের নির্বাচন করা উচিত, মাশরাফিরটা এবারই উত্তম সময়, সাকিব এর ক্ষেত্রে হয়ত পরেরবার, তবে সাকিব এর জন্য রাজনৈতিক পথ অনেকটাই কঠিন হবে মনে হয়।’
মাহবুব রতনের মন্তব্য, ‘উচিত তবে এখনি না। এখনো গণতান্ত্রিক বোধ এবং সচেতনতা নাগরিক ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গড়ে উঠেনি।’
সাইফুল আলম সাগরের ভাষায়, ‘ভালো মানুষগুলি এগিয়ে না এলে রাজনীতি তো ব্যবসায়ীদের বাপ-দাদার সম্পদ হয়ে যাবে। এর মধ্যে মূর্খ যারা ঠিকমতো বাংলা কথা বলতে পারে না অথচ ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে, আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয় এবং এমপি, ম্যাশ ও সাকিবরা এগিয়ে আসলে আসলে ভালো মানুষগুলির জয় হবে, দুজনেই তরুণ এখনো, কাজ করার যথেষ্ট সময় ও শক্তি-মেধা আছে, দেশের জন্য ভালোই হবে, আমি একমত।’
পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার, রাজনৈতিক দল গড়ে এখন আলোচনা-সমালোচনায়, সেই ইমরান খানের প্রসঙ্গ টেনে মাজেদুল ইসলাম শ্যামল মন্তব্য করেছেন, ‘তবে কি পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী ক্যাপ্টেন ইমরান খানের দেখানো পথেই হাঁটতে যাচ্ছেন আমাদের আবেগ, আস্থা, ভরসা, বিশ্বাস আর ভালোবাসার ব্যক্তিটি.. মানে আমাদের রিয়েল হিরো #মাশরাফি_বিন_মুর্তজা?
একটা সময় ছিল যখন পাকিস্তানে একটা লোকও ছিল না যে ইমরান খানকে ভালোবাসত না। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নতুন দল গঠন করতেও সক্ষম হয়েছেন তিনি। তবে ক্ষমতার স্বাদ পান নাই। এখন পাকিস্তানের কত শতাংশ লোক ইমরান খানকে আগের মত ভালোবাসে??
তেমনি যদি সত্যি মাশরাফি রাজনীতিতে আসে, কতটা যৌক্তিক হবে আমি জানি না, তবে ব্যক্তিগতভাবে মনে করি.. আপনাকে খেলার মাঠেই নেতা হিসেবে আমরা চাই।’
রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে ইমন হোসেইন লিখেছেন, ‘এই পুতিগন্ধময় রাজনীতিতে এসে তাদের সমস্ত অর্জনকে কলঙ্কিত করার এই অভিপ্রায় নিতান্তই একটি বাজে সিদ্ধান্ত। আশাকরি তাদের একসময় বোধোদয় হবে আর এই জাতীয় চিন্তাভাবনা থেকে নিজেকে দূরে রেখে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ক্রিকেটে উৎসাহিত করতে একসাথে কাজ করে যাবে। তবে আশংকার বিষয় হল, ‘চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী’। এরাও একসময় এই ফাঁদে পা দেবে আর ক্রমান্বয়ে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাবে। সেটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার হবে।’
মাহমুদ হোসেনের মন্তব্য, ‘ম্যাশ ভাই পারবেন।। উনি যে দলেরই হয়ে নির্বাচন করুন না কেনো, তিনি সবার জন্যই কাজ করবেন এটা আশা করা যায়। তার রাজনীতিতে আগমন শুভবার্তা নিয়ে আসবে। মাগুরায় আমি প্রায় একবছর থেকেছি। স্থানীয় মানুষের সাকিবের প্রতি স্নেহ বা শ্রদ্ধাবোধ দেখিনি। তার নামের সামনে সবসময়ই কোন না কোন খারাপ শব্দ যোগ করত!! তাকে নিয়ে আশা করা কঠিন। মাগুরায়ও ম্যাশ তুমুল শ্রদ্ধেয়।’
২০১৯ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ খুব কাছেই, সেটা মনে করিয়ে দিয়ে ফারুক রহমান নামের একজন লিখেছেন, ‘সামনে আমাদের স্বপ্নের বিশ্বকাপ (২০১৯) এই বিশ্বকাপে আমরা অনেক বড়কিছু অর্জন করবো এটাই যখন সব মানুষের চাওয়া, ঠিক তখনই সাকিব মাশরাফিকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করছে, আমার মনে হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাফল্য তারা চায় না। বাংলাদেশও একদিন ক্রিকেট বিশ্বে ভারতের মতো ক্রিকেট পরাশক্তির দেশ হিসাবে চিহ্নিত হবে এটা তারা চায় না।’
আহমেদ আল সাজিদ সেখানে ভালোবাসা বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা করেছেন, ‘সাকিব ও মাশরাফিকে বাংলাদেশের দল মত নির্বিশেষে সব মানুষ ভালোবাসে। কিন্তু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তাঁরা কি স্বতন্ত্রপ্রার্থী হবেন না কোনো দলের মনোনীত প্রার্থী হবেন? ধরা যাক, তাঁরা আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রার্থী হলেন। তখন যারা জাতীয় পার্টি, বিএনপি, জামায়াত ইসলামীসহ অন্যান্য দল সমর্থন করে– তারা কি তখন মাশরাফি ও সাকিবকে আর সেরকম ভালোবাসতে পারবে?! তখন ভালোবাসা ভাগ হয়ে যাবে না?? সব মানুষের ভালোবাসার চেয়ে দামী আর কিছু নেই।’
কাজী সাখওয়াত লিখেছেন, ‘অবসরের আগে অবশ্যই অবশ্যই অগ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত।’
সজীব আব্দুল ওয়াহাবের মন্তব্য, ‘রাজনীতিতে ভালো লোক আসা অবশ্যই উচিত। কিন্তু এরা এখুনি নির্বাচনে এটাই কেমন লাগছে।’
লাবু সরকার লিখেছেন, ‘অবশ্যই করা উচিত এবং কি সকল পেশার মানুষেরই রাজনীতিতে আসা উচিত। এতে রাজনীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। পৃথিবীর অনেক দেশেই সেলিব্রেটিরা রাজনীতি করে। তবে আমরা করলে দোষের কি? নেগেটিভলি চিন্তা না করে পজেটিভলি চিন্তা করা উচিত আমাদের।’
তামিজ উদ্দিন লোদি লিখেছেন, ‘রাজনীতিতে গিয়ে তারা যা অর্জন করতে চান তার চেয়ে শতগুণ অর্জন তাদের অর্জিত হয়েছে এবং তা এখনো অব্যাহত আছে। আমি বলব তাদের এপথ না মাড়ানোই উচিত।’
ভালোবাসা বিভক্তের শঙ্কা এমডি জাহিদুল ইসলামেরও, ‘আমার মনে হয় উচিৎ নয় কারণ, মাশরাফি-সাকিব হল বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের প্রাণেরস্পন্দন , যদি তারা নির্বাচন করে তাহলে তাদের ভালোবাসাগুলো বিভক্ত হয়ে যাবে..’
এইচএম মামুন লিখেছেন, ‘প্রথমত, বাংলাদেশি সুনাগরিক হিসেবে তারা ইলেকশন করতেই পারে। দ্বিতীয়ত, তাদের নিজস্ব চিন্তাচেতনা অবশ্যই আছে। তৃতীয়ত, ক্রিকেট একটি আবেগের স্থান, যেখানে তারা বাঙালির মাথারমণি, তবে রাজনীতিগত ভাবে পরিচয় দিতে গেলে জনপ্রিয়তা পরিবর্তন/পরিবর্ধন হওয়াটাই স্বাভাবিক। ফাইনালি শেখ হাসিনার বাংলাদেশে অবশ্যই সুসাফল্যের জন্যই তাদের প্রয়োজন বোধ করছেন তিনি। সোনারবাংলা গড়তে সোনার মানুষের বিকল্প নাই। তাই আমি চাই, নেতৃত্বে আসতে চাইলে সুস্বাগতম জানানোই উচিত হবে।’
সাতি সাতের সাথি লিখেছেন, ‘আসা না আসাটা আসলে তাদের উপর। আর আমাদের চাইতে তারা ভালোই জানে। যে নির্বাচন করাটা কি তাদের উচিত হবে কি না। বাংলাদেশের মানুষ তাদের আইডল ভাবে। তাই তারা ভালো জানে আইডল হিসাবে থাকবে মানুষের মনের মাঝে। নাকি নেতা হিসাবে থাকবে। রাজ পথের।’
জামিরুল ইসলাম সজিব লিখেছেন, ‘একজন ক্রিকেটার এর কোনো দল নাই, সবাই তাদের পছন্দ করে। কিন্তু এমপি হলে, তাদের বিরুদ্ধেও থাকবে। তখন ভালোবাসাটা দুভাগে ভাগ হয়ে যাবে।’
নাজমুল হুদার মন্তব্য, ‘এটা সাকিব মাশরাফিদের রাজনৈতিক অধিকার, তাছাড়া ভালো মানুষ রাজনীতিতে এলে দেশ ভালো কিছু পাবে। হয়ত তখন এতটা সবার প্রিয় থাকবেন না তারা, এটা বাংলাদেশের বাজে রাজনীতির জন্যই হবে। কারণ আমরা দেখেই অভ্যস্ত যে রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদগণ ভালো মানুষ নয়। আরেকটা বিষয় পাকিস্তান ক্রিকেটের রাজপুত্র ইমরান খানের বর্তমান অবস্থা দেখেও অনুমান করা যায় সাকিব-মাশরাফিদের পরিণতি কেমন হতে পারে। আগামী নির্বাচন দুজনের কারো জন্যই উপযুক্ত সময় নয়।’
মোহাম্মদ নাঈম লিখেছেন, ‘স্যার, রাজনীতিতে ভালোমনের মানুষের খুব প্রয়োজন, মাশরাফির কিন্তু টাকার চাহিদা নাই, সে চাইলেই মানুষের সেবা করতে পারবে (সেবা করে)।’
নির্জান চন্দ্র মন্ডলের মন্তব্য, ‘অবশ্যই উচিত। খেলে যেভাবে দেশ সেবা করেছে লোভ লালসার ঊর্ধ্বে থেকে তেমনিভাবে রাজনীতিতেও দেশের সেবা করবে এবং রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।’
শিপন সরকারের মন্তব্য, ‘ভালো মানুষ যে দলেরই হোক তার পাশে থাকা দরকার, রাজনীতি করলেই কি একজন মানুষ খারাপ হয়ে যায়, আমরা এমনি দেশে জন্মেছি যেখানে বিরোধী দল মানেই শত্রুতা।’
হিমেল হিমেল, ‘মোটেও উচিত নয়– ওরা কোনো একটা রাজনৈতিক দলের আদর্শ নিয়ে জনসম্মুখে উপস্থিত হোক এটা মোটেই কাম্য না। ওরা আঠারো কোটি মানুষের চোখে হিরো হয়ে থাকুক এই কামনা করি।’
আহমেদ ইউসুফের মন্তব্য, ‘সাকিবের কথা আলাদা, তবে মাশরাফি নামটাই যেন ভালোবাসায় জড়ানো মোড়ানো, আবেগে ভরা একটি নাম। এ নাম নিয়ে যদি ব্যবসা করা হয় তা হবে খুবই দুঃখজনক। যতটা ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি এই একটি ভুলের কারণে ঠিক ততটাই, অপমান, রাগ, ক্ষোভ এবং জনসাধারণের রোষানলে পড়তে পারেন।’
রিফাত হাসান লিখেছেন, ‘একদম না। বর্তমান এ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে একসময় এদেরকে আমরা হারিয়ে ফেলব।’
এমডি সোলাইমান ভাবছেন, ‘ম্যাশ আর সাকিবের জন্য আকাশচুম্বী ভালোবাসা, হয়তবা সেই আকাশচুম্বী ভালোবাসা, আকাশচুম্বী হিংসায় পরিণত হতে পারে রাজনীতির কারণে।’
আলিশেয়ার রায় লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় ভালোমানুষগুলো দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিক, মাশরাফির উত্তম সময়।’
প্রিতিনূর রাব্বানির মন্তব্য, ‘সাকিব আল হাসান অথবা মাশরাফি কোন বিশেষ শ্রেণি বা গোষ্ঠীর হাতে আবদ্ধ হক এটা আমরা চাই না। সাকিব-মাশরাফি গোটা বাংলার। এদেরকে আমাদের কলুষিত রাজনীতিতে প্রবেশ করানো সমীচীন হবে না। তবে হ্যাঁ, এরা যদি নতুন একটা দল তৈরি করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক ফল নিয়ে আসলেও আসতে পারে।’
মজা করে এমডি শাহিন আক্তার লিখেছেন, ‘হুম উচিৎ.. একজন প্রধানমন্ত্রী হবে অন্যজন রাষ্ট্রপতি..’
তামিম আজিজের পরামর্শ, ‘তাদের ওয়ার্ল্ডক্লাস ক্রিকেট কোচ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এগুলো করে কি করবে।’
ইমতিয়াজ আহমেদ লিখেছেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে হলে অবশ্যই মাশরাফিদের রাজনীতিতে আসা উচিত।’
ইমরান হাসানের মন্তব্য, ‘দেশের সু-সন্তানরা তো দেশ পরিচালনা করবে, তাই আসা উচিত।’ ইব্রাহিম মোল্লাও একই মত, ‘হ্যাঁ, কারণ একজন ভালো রাজনীতিবিদ সমাজটা পরিবর্তন করতে পারে।’ সেরকম ভাবছেন আনন্দ শাহাও, ‘দেশের আরও বৃহত্তর উন্নয়নে তাদের মত সৎ, পরিশ্রমী ব্যক্তিদের দরকার।’
বি.দ্র: চ্যানেল আই অনলাইন সবসময় বানানরীতিতে ‘মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা’ ব্যবহার করে থাকে। এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের বানানরীতি অক্ষত রাখা হল।







