শাইনপুকুর থেকে দল বদলে আবাহনীতে গেছেন। তবে পারফরম্যান্সে বদল হয়নি মাশরাফীর। প্রিমিয়ার লিগের শুরুর দিনে টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়কের বোলিং তোপের পর বিজয়ের ব্যাটিং ঝলকে ৯ উইকেটের জয়ে শুরু করেছে আবাহনী।
সোমবার বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে শুরুতে বোলিং করে নাসির হোসেনের দল। তাতে মাশরাফী, সানজামুল ও সাকলায়েনের বোলিং তোপে ৪১ ওভারে গুটিয়ে যাওয়ার সময় খেলাঘর সমাজকল্যাণ সমিতি তুলতে পারে মাত্র ১৫৪ রান। জবাবে বিজয়ের ফিফটিতে ২৫.২ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে জয়ে নোঙর ফেলে আবাহনী লিমিটেড।
এদিন বলে আগুনই ঝরিয়েছেন মাশরাফী। ৭ ওভারে এক মেডেনসহ ২৩ রানে নেন ৩ উইকেট। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে খেলে আশানুরূপ পারফর্ম করতে না পারা স্পিনার সানজামুলও নিয়েছেন ৩ উইকেট, ৯ ওভারে ২৯ রান খরচায়। আরেক স্পিনার সাকলায়েন সজীবের ঝুলিতে গেছে ২৬ রানে ৩ উইকেট। অন্য উইকেটটি নাসিরের।
খেলাঘরের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান এসেছে মইনুল ইসলামের ব্যাটে। এছাড়া অমিত মজুমদার ৩৭, অধিনায়ক নাফিস ইকবাল ১৯ ও নাহিদুল ইসলাম ১৩ রান করেন। বাকিদের কেউ দুঅঙ্কের কোটা ছুঁতে পারেননি।
ছোট সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে ১৭ ওভারে আবাহনীকে ৮৮ রানের উদ্বোধনী সংগ্রহ এনে দেন এনামুল হক বিজয় ও সাইফ হাসান। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্বে দিয়ে ফেরা সাইফের (৩৯) বিদায়ে ভাঙে জুটি।
বিজয় শেষপর্যন্ত ছিলেন। নাজমুল হাসানকে (২৩*) নিয়ে বাকি পথটুকু পার করেছেন। দল জিতিয়ে ফেরার সময় ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রত্যাশাটা মেটাতে না পারা এ ওপেনারের নামের পাশে ঝলমলে ৮৬ রান। ৬ চার ও ৫ ছয়ে ৭৩ বলে সাজানো ইনিংস।








