জিতলেও রংপুরকে এলিমিনেটরে খেলতে হবে, হারলেও। তবে ঢাকার সামনে সুযোগ জিতে সেরা দুইয়ে থেকে কোয়ালিফায়ারে নামার। এমন ম্যাচে মাশরাফীবিহীন রংপুরের সামনে বিবর্ণই থাকল ঢাকা ডায়নামাইটসের ব্যাটিং। রাইডার্সদের কেবল ১৩৮ রানের লক্ষ্যই দিতে পেরেছে সাকিবের দল।
বুধবার শের-ই-বাংলায় ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে অধিনায়ক করে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সাকিব আল হাসানের অপরাজিত ৪৭ রানে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান তুলেছে ডায়নামাইটসরা।
কোয়ালিফায়ারের চার দল আগেই নিশ্চিত হয়েছে। এক ম্যাচ হাতে রেখে ১৬ পয়েন্ট শীর্ষে থাকা নিশ্চিত করেছে কুমিল্লা। ১২ ম্যাচে ১৫ পয়েন্টে আপাতত দুইয়ে খুলনা। ঢাকা বুধবার রংপুরকে হারাতে পারলে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে দুইয়ে উঠে যাবে। তাতে মিলবে বাড়তি সুযোগ, প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলে সরাসরি ফাইনালে যাওয়ার, বা হারলেও এলিমিনেটরে জিতে আসা দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফাইফানালের আরেকটি পরীক্ষার ছাড়পত্র মিলবে।
রংপুর সেখানে হারলেও এলিমিনেটরে খেলবে, জিতলে অবশ্য এলিমিনেটরের ড্রেস রিহার্সেলটা হয়ে যাবে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর রসদ হিসেবে। তখন যে ঢাকাই হবে তাদের প্রতিপক্ষ। পোশাকী মহড়ার এমন ম্যাচে মাশরাফীকে ছাড়া নেমে বোলিংয়ে দারুণ করেছে রাউডার্সরা।
নারিন ৪, লুইস ১৪, ডেনলি ৯, জহুরুল ৫, মোসাদ্দেক ১০, পোলার্ড ৬ রানে ব্যর্থ হয়ে ফিরলে ঢাকার ব্যাটিং ধুঁকতে থাকে। মাঝে মেহেদী মারুফ ৩ চার ও এক ছয়ে ২৩ বলে ৩৩ রান করলে খানিকটা সম্মান বাঁচানোর সুযোগ আসে।
সেটাই কাজে লাগিয়ে ইনিংস টেনে নিয়েছেন সাকিব। অধিনায়ক ২টি করে চার-ছয়ে ৩৩ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন শেষপর্যন্ত।
রংপুরের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন রুবেল ও এবাদত। মাশরাফীর জায়গায় খেলতে নেমে ৪ ওভারে ৩৭ রানে দুটি উইকেট তরুণ এবাদতের জন্য মন্দ নয়! সুযোগ মেলা আব্দুর রাজ্জাক ৩ ওভারে ২৩ রানে একটি উইকেট নিয়েছেন।








