দূরত্ব হাজার মাইলের, তবে কে হচ্ছেন পরবর্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে সমান উৎসাহী বাকি বিশ্ব। এর আগেও বিশ্ববাসীর জানার অপেক্ষা কারা পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান দলের সমর্থন। মনোনয়ন পাওয়ার এ দৌড়ে কে কোথায় আছেন তা নিয়েই আগ্রহ বিশ্ববাসীর।
মোট ৫১ টি অঙ্গরাজ্যের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিধর দেশটির আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে বিশ্বব্যাপী।
৮ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট পদে দলীয় সমর্থন পেতে প্রার্থীদের দিতে হয় জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের পরীক্ষা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থন পেতে এবারও ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান শিবিরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।
দলীয় সমর্থন পেতে ডেমোক্রেট দলীয় প্রার্থীর প্রয়োজন ২ হাজার ৩শ ৮৩ জন ডেলিগেটের সমর্থন। আর রিপাবলিকান প্রার্থীর প্রয়োজন ১২শ ৩৭ ডেলিগেট। এখন পর্যন্ত দু’দলের মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে ১৭০৩ প্রতিনিধির সমর্থন নিয়ে এগিয়ে রয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেমোক্রেট হিলারি ক্লিনটন এবং ৯শ ৩৯ জন ডেলিডেট নিয়ে এগিয়ে আছেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নির্বাচনে ট্রাম্পকেই সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিয়ে এরইমধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন হিলারি। তবে পালের হাওয়া যে উল্টো দিকেও যায় তা মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে একটু পিছিলে থাকলেও হিলারিকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন আরেক ডেমোক্রেট প্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্স। ৯৮৩ প্রতিনিধির সমর্থন নিয়ে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে শক্ত অবস্থানে তিনিও। শনিবার ওয়াশিংটন এবং আলাস্কায় হিলারিকে ব্যাপক ব্যবধানে হারিয়ে স্যান্ডার্স আবারও প্রমাণ করলেন, দলীয় সমর্থন পেতে পারেন তিনিও।
অন্যদিকে ৪শ ৬৫ ডেলিগেটসের সমর্থন নিয়ে ট্রাম্পের নাকের ডগায় নিঃশ্বাস ফেলছেন টেড ক্রজও।
রিপাবলিকান মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে ট্রাম্প এবং ক্রজ সমানতালে আগালেও ডেমোক্রেট স্যান্ডার্সের চেয়ে বিশ্লেষকরা সুপার ডেলিগেটসদের সমর্থনে অনেক এগিয়ে রাখছেন হিলারিকে। তবে অতীত ইতিহাস বলছে নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের প্রভাবে প্রার্থী নির্বাচনের দিন অনেক ক্ষেত্রেই মত পাল্টান এ সুপারডেলিগেটসরা।







