বহুদিন ধরে অসহনীয় কোমর ব্যাথায় কষ্ট পাওয়াদের জন্য সুখবর নিয়ে বিশ্বে প্রথমবারের মতো ব্যবহ্নত হচ্ছে স্পাইনাল ইমপ্লিমেন্ট। এই পদ্ধতিতে স্পাইনাল কর্ডে একটি ডিভাইস বসানো হয়ে থাকে। বৈদ্যুাতিক প্লাস ব্যবহার করে ডিভাইসটি ব্যক্তির ব্রেইনকে একভাবে বিভ্রান্ত করে ফেলে। ফলে সে অসহনীয় তীব্র ব্যাথার পরিবর্তে অনুভব করে থাকে একধরণের মানসিক প্রশান্তি।
যেসব রোগীর স্পাইনাল কর্ডে ওই ডিভাইস প্রতিস্থাপন করেছেন তাদের সম্পর্কে চিকিৎসকরা বলেন, প্রযুক্তি এখন ব্যাথার ওষুধের ওপর নির্ভশীলতা থেকে রোগীদের মুক্তি দিবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পারকিনসন রিসার্চ সেন্টারের প্রধান ক্লেয়ার বেল বলেন, নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতি কোমর ব্যাথায় বহুদিন ধরে দামি ওষুধের ওপর নির্ভশীল লাখো মানুষকে সাহায্য করবে। তবে কোন রোগীর জন্য কী ধরণের চিকিৎসা প্রয়োজন, তা রোগীর ব্যাথার ওপর নির্ভর করে ঠিক করতে হবে এবং এই বিষয়ে এখনো অনেক পরীক্ষার প্রয়োজন আছে।
কোমর ব্যাথার নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে সিডনীর রয়াল নর্থ সোর হাসপাতালের চিকিৎসক চার্লস ব্রুকার ‘বিগ এডভান্স’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
ব্রুকার বলেন, স্পাইনাল কর্ডে বৈদ্যুতিক ডিভাইস একধরণের সংকেত পাঠায়। যার ফলে রোগী তার ব্যাথার স্থানে একধরণের শিহরণ অনুভব করে। যা তার মস্তিষ্ককে ব্যাথা অনুভূতিকে বিভ্রান্ত কেরে ফেলে। তখন রোগীর ব্যাথার পরিবর্তে মস্তিষ্কে আরাম অনুভব করতে থাকে। এই ডিভাইস রোগীর ব্যাথার মাত্রা অনুযায়ী নিজে নিজেই তার সঙ্গে এডজাস্ট করে নেয়।
৩ দশক ধরে কোমর ব্যাথায় কষ্ট পাচ্ছিলো অস্ট্রেলিয়ার ৬০ বছরের জো গ্রিওয়াল। কিন্তু এই স্পাইনাল ইমপ্লিমেন্ট তার জীবন এখন সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। জো বলেন, আমার কোমর ব্যাথায় এক অভুতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে।
এখন আরো ৩০ জন রোগীর মধ্যে নতুন এই ডিভাইস প্রতিস্থাপন করা হবে। যার খরচ পরবে প্রায় ১৫ হাজার পাউন্ড।
আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাথার ওষুধ খেতে খেতে একসময় যেকোনো ধরণের রোগ প্রতিরোধে ওষুধ আর কাজ করে না। অর্থ্যাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
আরেকটি গবেষনায় ৪০ জন গবেষক দেখেছেন , অপারেশনের পর যেসব রোগীরা বিভিন্ন ইনফেকশনে ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে কোনো ওষুধ সহজে কাজ করে না।






