ভাইবার, হোয়াটস্অ্যাপ, ইমো, ট্যাংগো, স্কাইপ, উইচ্যাট, ফেসবুক মেসেঞ্জার ….এসব দিয়ে কথা বলা ও ভিডিও কল করা বন্ধের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন: ভাইবার, হোয়াটস্অ্যাপ, ইমো, ট্যাংগো, স্কাইপ, উইচ্যাট, ফেসবুক মেসেঞ্জার ….এসব দিয়ে কথা বলা ও ভিডিও কল করা বন্ধ করে দেবার নাকি কথা চলছে।
ফোন কল কমে যাচ্ছে। ভিওআইপি ব্যবসা মার খাচ্ছে। সবই ঠিক। কিন্তু অন্যদিকে ডাটা বাবদ খরচ বাড়ছে। মানুষ বেশী নেট ব্যবহার করছে।
ফোন কোম্পানীগুলি একদিকে নেট ব্যবহারের জন্য ডাটা বেচবে আবার অন্যদিকে কলিং অ্যাপস ব্যবহার করতে দেবে না। মানুষ কি নেট ব্যবহার করে কেবল ইউটিউবে সিনেমা দেখবে আর গান নাচ নাটক ডাউনলোড করবে?
প্রযুক্তি বদলাবে। প্রযুক্তি বদলের সাথে সাথে, মানুষ নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পাবে। দাম কমলে দাম কমবে। অামেরিকাতে আই পি ফোন অনেক জনপ্রিয়। সেখানে ফোন কোম্পানীগুলি আইপি ফোনের সাথে প্যাকেজ ডাটা বিক্রি করে।
বাংলাদেশেও সেটাই হওয়া উচিত।
তাহলে ল্যান্ডফোনের আয় কমে যাওয়ার কারনে প্রথমেই মোবাইল ফোন কোম্পানীগুলি বন্ধ করা দরকার।
পোষ্ট অফিসে স্ট্যাম্প বিক্রি কমার কারনে ইমেইল, ফ্যাক্স, টেলেক্স বন্ধ করা দরকার। গরুর গাড়ীর আয় কমার কারনে বাস বন্ধ করা উচিত। হাতপাখা বিক্রি কমে যাওয়ার কারনে ফ্যান নিষিদ্ধ করা উচিত। নাপিতের ব্যবসা কমার কারনে সেফটি রেজার বন্ধ করা উচিত। লুংগী বিক্রি কমার কারনে প্যান্ট পরা বন্ধ করা দরকার।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ারকারণে মানুষের কাছে যে জনপ্রিয়তা সরকার পেয়েছে, কিছু লোক তার ক্ষতি করার জন্য এসব প্রস্তাব আনছে।
লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাঙ্গালী এখন দেশে রেখে যাওয়া মা, বাবা, ভাই বোন, স্ত্রী সন্তানের মুখ দেখে, কথা বলে ভিডিও কল করে। দেশে স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে নেট ব্যবহার করে কোটি মানুষ।
এখন তাদের রক্ত পানি করা পয়সা চুষবে কলিং কার্ড ব্যবসায়ীরা। ভিওআইপির টাকা দেশেও আসবে না। থেকে যাবে দুবাই কিংবা লন্ডনে, আর রোমে।
ভিডিও কল অ্যাপস বন্ধ করে দিলে, জনপ্রিয়তা বাড়বে না কমবে, সেটা বিবেচনা করা দরকার।








