ডলফিন মানুষের মত কণ্ঠে কথা বলতে পারে বলে ধারণা করছে বিজ্ঞানীরা। আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘ম্যাথমেটিকস অ্যান্ড ফিজিকস’ এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানী ড. ভিয়াচেজলেভ রায়াভব এমনই দাবি করেছেন।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে একটি সুইমিংপুলে দুটি ডলফিনের ভাবের আদান-প্রদানের উপর গবেষণা চালিয়ে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন গবেষকরা। তাদের প্রধান ড. রায়ভব বলেন, আমরা ডলফিনের একাধিক স্পন্দনের রের্কড থেকে পাওয়া উপাত্ত বলছে তারা একজন সিগন্যাল পাঠানোর সময় আরেকজন কোন ধররণের বাধা প্রদান করেন না। এতে প্রমাণ করে যে প্রত্যক ডলফিন নিজের সিগন্যাল তৈরি করার আগে অপরেরটা ভালো করে শোনে।
তিনি বলেন, মূল কথা হচ্ছে দুটি ডলফিনের ভাবের আদান-প্রদান দুজন মানুষের কথোপকথনের মতই। বিজ্ঞানীদের ধারণা ডলফিন উচ্চমানের ভাষায় কথা বলতে সক্ষম এবং এই ভাষা মানুষের যোগাযোগের ভাষার খুব কাছাকাছি একটি ভাষা।
অনেক আগে থেকেই ডলফিনের বুদ্ধিমত্তার কথা স্বীকার করে আসছিলো বিজ্ঞানীর।তবে উচ্চ ভাষার কথা এবারই প্রথম স্বীকার করলো বিজ্ঞানরা ।
বিজ্ঞানীরা বলছে, ডলফিনের স্পন্দন, টিক্ টিক্ শব্দ এবং শিস্ দেওয়ার মত সর্বোচ্চ পাঁচ শব্দ পর্যন্ত ব্যবহার এবং সম্পূর্ণ ভাবে শুনে থাকে তার পর নিজে শব্দ করে থাকে।
ড. রায়াভব বলেন, ডলফিনের প্রতিটি স্পন্দন আলাদা আলাদা এবং প্রত্যকটি স্পন্দন ডলফিন সিগন্যাল পাঠাতে নি:সরণ করে থাকে। আমাদের ধারণা প্রত্যকটি স্পন্দন ডলফিনের ভাষার জন্য এক একটি শব্দ বা শব্দগুচ্ছ। যার মাধ্যমে ডলফিনরা নিজেদের মত করে ভাবের আদান-প্রদান করে থাকে বলে জানান এই বিশেষজ্ঞ।
মানুষের শোনার সময় ও সিগন্যালের মতই ডলফিনের কথোপকথন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে আমাদের কাছে এই ভাষা দুষ্প্রাপ্য।
তাদের গবেষণা বলছে এই ধরণের ভাবের আদান-প্রদান ডলফিনের উচ্চ বুদ্ধিমত্তা এবং চেতনার পরিচয় বহন করে। তাই মানুষের মতই উচ্চমাত্রার ভাষা হিসাবেই ডলফিনের ভাষাকে মানার পক্ষে গবেষকরা।










