অতিথি পাখিরা উপযুক্ত বাসস্থান, আশ্রয় আর খাদ্য পেতে এক দেশ থেকে বহু দূরের দেশে চলে আসে। এসব পাখিদের পরিযায়ী বা অতিথি পাখি বলা হয়। মানুষের অত্যাচারে প্রতি বছর হাজার হাজার অতিথি পাখি হত্যার শিকার হচ্ছে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। তাই পরিবেশ রক্ষার্থে এসব পাখির জন্য পরিবেশ সচেতনতার জোড় দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশ্ব পরিযায়ী দিবস উপলক্ষে প্রাণী বিদ্যা বিভাগ, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন’র সহযোগীতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত সেমিনারে পরিযায়ী পাখি হত্যা বন্ধের দাবি জানিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধাক্ষ্য মোঃ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে প্রতি বছর পাখি ও প্রকৃতির উপর নির্মম অত্যাচার চালায়। কিন্তু আমরা কেউ জানি না আমাদের জন্য পাখির প্রযোজন ও পাখির জন্য আমাদেরকে প্রয়োজন। এই উপলদ্ধি যদি সবার মাঝে এসে যায় তাইলে পাখিদের পরিবেশ আমরা সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারবো। তা না হলে পাখি হত্যার কারণে হুমির মুখে পড়বে গোটা বিশ্ব।
প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, পরিবার থেকেই পরিবেশের শিক্ষাটা শুরু করতে হবে। এবং শিক্ষা কার্যক্রমে পরিবেশ সর্ম্পকে বিভিন্ন তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকলে একটি শিশু ছোটবেলা থেকে পরিবেশ জনসচেতনায় বড় হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তিনি।
নিজেদের উন্নয়নের জন্য প্রকৃতি যেন ক্ষতি না হয় সেই চেষ্টা করার আহবান জানান অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বার্ড ক্লাব’র সদস্য জালাল আহমমেদ।
তিনি বলেন, প্রতিদিনই কোনো না কোনো প্রাণী বিলুপ্তি হচ্ছে। এভাবে যদি প্রাণী বিলুপ্তি হয় তাহলে সামনে মানুষদেরও বিলুপ্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ সচেতনতা মূলক নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।







