মানবপাচার বন্ধে স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদী সমাধান খুঁজে পেতে একসঙ্গে কাজ করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও ভালো চাকরি আর উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রপথে পা বাড়ানো বাংলাদেশী আর রোহিঙ্গাদের করুণ পরিণতি দেখেছে গোটা বিশ্ব।
থাইল্যান্ডের গহীন জঙ্গলে সেইসব হতভাগ্য মানুষের দেহাবশেষের খোঁজ পাওয়ার পর দুনিয়াজুড়ে হয়েছে সমালোচনা। মানবপাচার ঠেকাতে তাই যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি।
থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র সচিব নোরাচিত সিনহাসেনি বলেন, মানবপাচার বিষয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন, এর বিরুদ্ধে থাই সরকার কঠোর অবস্থা নেয়। আমরা চাইছি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নিয়ে একটা দীর্ঘ মেয়াদি সমাধান খুঁজতে। এক্ষেত্রে অবশ্য সবার সহযোগিতা জরুরী। আর থাইল্যান্ডে স্থপনা শিল্পে ও মাছ ধরার জন্য বাংলাদেশিদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যকার প্রস্তাবিত চার দেশীয় সড়কপথ করিডরে যোগ দেওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন থাই সচিব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার আর চীন মিলে যে সড়ক যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাদের সে করিডরে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে আছে। সেক্ষেত্রে এ চারটি দেশও থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, লাওসের সাথে যুক্ত হতে পারবে। আমরা বাংলাদেশের সাথে মংলা পযর্ন্ত সমুদ্র পথে যোগাযোগ স্থাপনে আগ্রহী।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে আমরা নিজেরাও আশাবাদি। এই চার দেশ তো বটেই এমনকি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান যে যোগাযোগ স্থাপন করছে সেটাও এশিয়ার অন্য দেশে যুক্ত হতে পারে।
প্রায় ৪ ঘণ্টা স্থায়ী হয় দু’দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের প্রথম বৈঠক। এতে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক যোগাযোগ ছাড়াও বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং মানুষে-মানুষে সম্পর্ক বাড়ানোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।






