মাদক ব্যবসার সঙ্গে কোনো পুলিশ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক। সর্ষের মধ্যে ভূত থাকা যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, নিজেদের ঘর আগে সামলাতে হবে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান বিভাগের আয়োজনে মাদক ও জঙ্গি বিরোধী সমাবেশে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন: কোনো পুলিশ সদস্য যদি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকেন তবে তাকে ফৌজদারি মামলায় কোর্টে পাঠানো হবে। এমনকি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক ব্যক্তি মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইজিপি বলেন: রাজধানীর বস্তিগুলোতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বস্তিগুলোর সর্দাররা যদি কোনো জঙ্গি বা মাদক ব্যবসায়ী বা সন্ত্রাসীদের তথ্য পুলিশকে না দেয় তবে সে বস্তি উচ্ছেদ করা হবে।
আইজিপি আরো বলেন: জঙ্গিরা ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করছে, তাদের কোনো দর্শন নেই, মানুষ হত্যা করে বেহেশতে যাওয়া ধর্মের নামে অপব্যাখ্যা।
মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত এমন ৫০ জনকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে তাদেরকে ৫০ টি সেলাই মেশিন ও প্রত্যেককে চার হাজার টাকা করে দেয়া হয়। তারা যেন পুনরায় মাদকের মধ্যে ফিরে যেতে না পারে সেজন্য পুলিশের মনিটরিং ব্যবস্থায় থাকবে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য একেএম রহমতউল্লাহ। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মো: আসাদুজ্জামান মিয়া।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী ও গুলশান বিভাগের পুলিশের ডিসি মোস্তাক আহমেদ সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।








