বৃষ্টির কারণে ২৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ তোলে ১৪০ রান। মাঝারি পুঁজি নিয়ে শুরুতে খানিকটা লড়াই করেছে টিম টাইগ্রেস। আবার বৃষ্টি নামার পর আর লড়াই করতে পারেনি নিগার সুলতানার দল।
৭ ওভার আগেই ১ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিকরা প্রথম ৫০ রান তোলে ৯.২ ওভারে, একটি উইকেট হারিয়ে। পরের ৯৪ রান আসে ১০.৪ ওভারে। পরে কীভাবে এত সহজ হয়ে গেল ব্যাটিং তার পেছনে বৃষ্টির ছোঁয়া আছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
‘রান যেটা ছিল বোর্ডে, সেটি ভালো ছিল। যদি দেখেন দ্বিতীয় ইনিংসটাতে কিন্তু ভিন্ন ছিল। বৃষ্টি ছিল অনেক অনেক বেশি, পাশাপাশি আবহাওয়া কিন্তু খেলার উপযোগী ছিল না। তার মাঝেই আমরা খেলেছি। বোলারদের বল গ্রিপ করতে খুব সমস্যা পড়তে হয়েছে। আউটফিল্ডে যারা ফিল্ডিং করেছেন, এত পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছে যে আমাদের বল দেখতেও সমস্যা হচ্ছিল। বোলারদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। অবশ্য আমি বলব নিউজিল্যান্ড ব্যাটাররা অনেক ভালো ক্রিকেট খেলে গেছে।’
ভেজা মাঠে চোটে পড়ার শঙ্কা খুব বেশি থাকে। নিগারের কাছে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার ব্যাপারটি সবার আগে। যেহেতু সামনে আরও পাঁচটি ম্যাচ রয়েছে। তারপরও ফিল্ড আম্পায়ারদের নির্দেশনায় খেলা চালিয়ে যেতে হয়েছে বাংলাদেশকে। মাঠে আম্পায়ারদের কিছু বলতে না পারলেও কন্ডিশন সম্পর্কে ম্যাচ রেফারিকে জানাবেন টাইগ্রেস অধিনায়ক।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে নিগার বললেন, ‘আমরা যখন গ্রাউন্ডে ছিলাম, অবশ্যই আম্পায়ারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম এই কন্ডিশনে আমরা খেলা চালিয়ে যাব কিনা। তারা বারবার বলছিলেন আপনারা কন্টিনিউ করে যান। অন দ্য ফিল্ড তেমন কিছু করার থাকে না, অফ দ্য ফিল্ড যতটুকু কাজ করা যায় কথা বলে, যতটা মিনিমাইজ করা যায় করব। অবশ্যই আমরা ম্যাচ রেফারিকে জানাব কন্ডিশন এমন ছিল।’







