‘মহুয়া’ হচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ আর ‘নদের চাঁদ’ কবিরুল ইসলাম রতন। মৈমনসিংহ গীতিকার পালা থেকে তৈরি হয়েছে ‘মহুয়া’ নৃত্যনাট্য। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় নৃত্যনাট্যটি আগামী ২১ ও ২২ এপ্রিল মঞ্চস্থ হবে। নৃত্যলোক সংস্কৃতি কেন্দ্রের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ খবর জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নৃত্যশিল্পী জিনাত বরকতউল্লাহ, দীপা খন্দকার, অভিনেতা রহমত আলী, মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনয়শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ, নৃত্যলোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক কবিরুল ইসলাম রতন, কণ্ঠশিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, চন্দনা মজুমদার প্রমুখ।
আয়োজকদের মতে, ‘মহুয়া’ তাদের একটি স্বপ্নের প্রকল্প। এবার ‘মহুয়া’কে দেখা যাবে নতুন রূপে। সংগীত পরিচালনা করেছেন সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী। সংগীতায়োজন করেছেন আলী আশরাফ ও কলকাতার গৌতম দাস। নৃত্য পরিকল্পনা ও গবেষণা করেছেন কবিরুল ইসলাম।
‘মহুয়া’ নৃত্যনাট্যের কাহিনী প্রসঙ্গে লিখিতভাবে জানানো হয়, সুদর্শন নদের চাঁদ জমিদারের দেওয়ান। আর রূপবতী মহুয়া বেদে সর্দার হুমরা বেদের পালক কন্যা। সে ছিল এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। নেত্রকোনার কাঞ্চনপুর থেকে হুমরা বেদে ডাকাতি করে নিয়ে আসে শিশু মহুয়াকে। বেদেরা ঘাটে ঘাটে নোঙর ফেলে হাটবাজার ও পাড়ায় সাপের খেলা দেখায়। খেলা দেখাতে নদের চাঁদের গ্রামে যায়। সেখানে মহুয়ার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে প্রেম নিবেদন করে চাঁদ। মহুয়াও সাড়া দেয়। কিন্তু দুজনের মিলনের বাধা হয়ে দাঁড়ায় সরদার হুমরা বেদে। মহুয়াকে নিয়ে পালিয়ে যায় নদের চাঁদ।











