ঈদে পরিবার পরিবার-পরিজনের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়া বাঙালির রেওয়াজ। কিন্তু দীর্ঘ যানজটে আটকে বাধ্য হয়ে মহাসড়কেই ঈদ করতে হয়েছে হাজার হাজার মানুষকে। যারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে আছেন।
প্রতি বছরই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু যানজটের বিপত্তি আর ভোগান্তি হাসিমুখে মেনে নিজ গন্তব্যে ছুটেন লাখো মানুষ। অন্যান্য বার ঈদের আগের মধ্যেরাত থেকে মহাসড়ক ফাঁকা থাকলেও এবার ছিল ভিন্নরূপ।
টানা যানজটে নাকাল হয়ে বাড়ি পৌঁছাতে পারেননি অনেকেই। হাজার হাজার মানুষেরর ঈদ আনন্দ আটকে গেছে মহাসড়কে।
ঈদকে সামনে রেখে কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার প্রথম দিন থেকে অতিরিক্ত গাড়ির চাপে যানজটের কবলে পড়েন ঢাকা-টাঙ্গাইল- বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক ব্যবহারকীরা। তা তীব্র আকার ধারণ করে ঈদের আগের দিন।
ঘন ঘন টোল প্লাজা বন্ধ, ছোট ছোট সড়ক দুর্ঘটনায় তা চরম আকার ধারণ করে ঈদের দিন সকালেও। বঙ্গবন্ধুর সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় বিশ কিলোমিটার সড়ক জুড়েই তৈরি হয় থেমে থেমে তীব্র যানজট। এতে হাজার হাজার মানুষের ঈদ আনন্দ আটকা পড়েছে মহাসড়কেই।
যানজটে আটকে পড়া মানুষেরা বলছেন তিন ঘণ্টার মহাসড়ক বিশ ঘণ্টাতেও পাড়ি দিতে পারেননি তারা। জীবনের ঝুঁকি ও ভোগান্তি মেনে নিয়ে নাড়ির টানে বাড়ি যাচ্ছিলেন তা যানজটের কারণে তা একেবারে মাটি হয়ে গেছে।
সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা মো. সাইফুল জানান, মঙ্গলবার দুপুর বাড়ি উদ্দেশে রওনা হয়েছিলাম। বুধবার সকাল হলেও এখনও এলেঙ্গা পার হতে পারিনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসির আরাফাত জানান, মহাসড়কে ভোর থেকে গাড়ির চাপ রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
যানজট নিরসনে জেলা পুলিশের ৬০০শ হাইওয়ে পুলিশের ২০০শ পুলিশ মোতায়েন ছিলো। ২১ জেলার কয়েক লাখ মানুষ এ মহাসড়ক ব্যবহার করে গন্তব্যে গেছেন।







