আজ মহাসপ্তমী, মন্দিরে মন্দিরে প্রার্থনা আর অর্চনায় চলছে দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিন। সকালে দেবীর চক্ষুদান ও নবপত্রিকা স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। শুধু ব্যক্তি নয়, প্রায় সবার কণ্ঠেই ছিলো সার্বজনীন সুখ-সম্প্রীতির প্রার্থনা।
ভোর থেকেই মন্দিরে মন্দিরে ভক্তদের ভীড়। দেশ ও দশের কল্যাণ কামনায় তারা দিয়েছেন পুষ্পাঞ্জলী। ভক্তরা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সবাইকে সপ্তমীর শুভেচ্ছা জানান।
ত্রিলোক দর্শনী দেবীর চক্ষুদানের পর স্থাপন করা হয় নবপত্রিকা। পৃথিবী থেকে রোগ শোক দূর করতে কদলী, কচু, হরিদ্রা, বেলপত্র, ডালিমসহ ৯টি গুল্মকে শ্বেত অপরাজিতা দিয়ে বেঁধে দিয়ে দেবীর পায়ে স্থাপন করা হয় নবপত্রিকা।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রনজিৎ চক্রবর্তী বলেন, ‘মা সব অশনিসংকেত বিনাশ করে এই পৃথিবীতে শান্তি স্থাপন করবেন এবং মায়ের সন্তানেরা সুন্দরভাবে জীবনযাপন করবে – এটাই মায়ের কাছে আমাদের আকুল আবেদন।’
অসুরের বিনাশ এবং অশুভ শক্তির ছায়া থেকে বিশ্বমানবতাকে রক্ষা করতে মা দূর্গার সাক্ষাত-সন্তুষ্টি অর্জনের আয়োজন ছিলো মন্দিরে মন্দিরে।








