ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে কাগজে কলমে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের চেয়ে অনেকটাই এগিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। কেন তাদেরকে এগিয়ে রাখা হচ্ছিল তা ম্যাচ শেষে স্কোরবোর্ড দেখলেই স্পষ্ট। চ্যাম্পিয়নশিপের তকমা ধরে রাখার লড়াইয়ে ঘরের মাঠে জয় পেয়ে লিগে শীর্ষস্থানে সিটিজেনরা। হোসে মরিনহোর দলকে ৩-১ গোল হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিভারপুলের থেকে দুই পয়েন্টের ব্যবধান।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ শানায় গার্দিওলার শিষ্যরা। যার ফল ১২ মিনিটের মাথায় দলকে এগিয়ে দেন ডেভিড সিলভা। সেই সময় প্রায় ৮০ শতাংশ বল পজেশন ছিল সিটির। ক্রমাগত চাপ রাখার ফলে আবার সুযোগ চলে আসে। সুযোগ পান বার্নার্ড সিলভা কিন্তু তা থেকে বিপদ হয়নি। তবে পিছিয়ে পরে কিছুটা গুছিয়ে খেলার চেষ্টা চালায় ইউনাইটেড। হাফচান্সে সুযোগ পেয়েছিলেন স্মালিংরা। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় সিটি।
প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকে একই চিত্র সিটির। অর্থাৎ আক্রমণ। যার ফল তিন মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ান দলের তারকা খেলোয়াড় সার্জিও আগুয়েরো। সুযোগ পেয়েছিলেন স্টার্লিংও। কিন্তু কাজের কাজ করতে পারেননি। তবে কিছুটা খেলার বিপক্ষে গিয়ে পেনাল্টি পায় ইউনাইটেড। সিটি গোলকিপার এডারসন রোমেলু লুকাকুকে বক্সে ফাউল করায়। গোল করে ইউনাইটেডের হয়ে ব্যবধান কমান মার্শিয়াল।
এরপর খেলায় কিছুটা ফেরে ইউনাইটেড। আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের ঝলকও দেখান। তবে ধারে ভারে কেন সিটি বাকিদের থেকে এগিয়ে তা আবার প্রমাণিত। রেড ডেভিলদের উপর চাপ বাড়াতে থাকে তারা। যার ফল ৮৬ মিনিটে তাদের হয়ে ব্যবধান বাড়ান গুন্দোয়ান। ফলে লিগে এখনও অপরাজিতই রইল গার্দিওলার সিটি।
এই ম্যাচ শেষে ১২ খেলায় ৩২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ম্যানসিটি। সমান ম্যাচে দুই পয়েন্ট কম নিয়ে দুই নম্বরে লিভারপুল। তিনে থাকা চেলসির পয়েন্ট ২৮। ব্লুজদের চেয়ে এক পয়েন্ট কম নিয়ে চারে টটেনহ্যাম হটস্পার। ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচনম্বরে আর্সেনাল। ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরে ম্যানইউ।







