নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত হওয়া ২৩ বাংলাদেশীর দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাদের মরদেহ জাতীয় পরিচয় পত্র দেখে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সামরিক সচিব, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ওবায়দুল কাদের, এবং স্পিকার শিরিন শারমিন।
সোমবার বিকেলে জানাজা শেষে তাদের স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
আহমেদ ফয়সালের পক্ষে তার মামা ও বৈশাখী টেলিভিশনের বার্তা প্রধান অশোক চৌধুরী মরদেহ গ্রহণ করেন। পৃথুলা রশিদের পক্ষে তার মা ও বোন গ্রহণ করেন। এভাবেই স্বজনদের কাছে ওই ২৩ বাংলাদেশীর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এসময় তাদের আত্মীয় স্বজন কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।
মরদেহগুলো নিয়ে আসা থেকে হস্তান্তর পর্যন্ত সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এর আগে আর্মি স্টেডিয়ামে ওই ২৩ বাংলাদেশির দ্বিতীয় জানাজা পরিচালনা করেন ক্যান্টনমেন্ট মসজিদের ইমাম মাহমুদুল হাসান। জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সামরিক সচিব, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ওবায়দুল কাদেরসহ তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দসহ বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনসাধারন।
সোমবার বিকেল চারটার দিকে মরদেহ বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি এসে পৌঁছায় বাংলাদেশে। বিমানবন্দরে মরদেহগুলো গ্রহণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো আর্মি স্টেডিয়ামে নেয়া হবে জানাজার জন্য। স্বজনদের বিমানবন্দরে না গিয়ে আর্মি স্টেডিয়ামে যেতে অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুতে ওই উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। এতে ৭১ যাত্রীর মধ্যে ৫০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি।







