দেশের ক্রীড়াঙ্গণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরণোত্তর ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছেন শহীদ শেখ কামাল। তাছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানসহ আরো মোট ৩১ জন এই পুরষ্কার লাভ করেছেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের বিজয়ীদের মাঝে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের ২৫ হাজার টাকার চেক এবং স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। মরনোত্তর পুরস্কার প্রাপ্তদের পক্ষে তাদের পরিবারের সদস্য এবং নিকটজনেরা পুরস্কার গ্রহণ করেন। দেশের বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করতে ১৯৭৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পদক চালু করা হয়।
দেশের স্বাধীনতাত্তোর ক্রীড়াঙ্গণের উজ্জ্বল নক্ষত্র আবাহনী ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পদক (মরণোত্তর) ২০১১ এবং সাকিব আল হাসান ২০১২ সালের পদক লাভ করেন।
শেখ কামাল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। দেশের জনপ্রিয় স্পোর্টস ক্লাব আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামাল আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে প্রথম বিভাগে ক্রিকেট খেলেন। তিনি এ্যথলেট ছিলেন, বাস্কেট বল ইভেন্টেও প্রথম বিভাগে খেলেছেন।
২০১০ সালের জাতীয় ক্রীড়া পদক বিজয়ী ১০ ক্রীড়াবিদ হচ্ছেন- মাস্টার অফিসার মো. হারুন-উর-রশীদ (সুইমিং), কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণজয়ী শুটার আতিকুর রহমান (শুটিং), মাহমুদা বেগম (এ্যাথলেট), দেওয়ান মো. নজরুল হোসেন (জিমনাস্টিক), মো.মিজানুর রহমান মানু (সংগঠক), এ এস এম আলী কবির (সংগঠক), মো. তকবির হোসেন (সুইমিং, মরণোত্তর), ফরিদ খান চৌধুরী (এ্যাথলেট), বেগম নেলি জেসমিন (এ্যাথলেট) এবং শারিরীক প্রতিবন্ধীদের ক্রীড়ায় বিশেষ সাফল্যের জন্য বেগম নিপা বোস (এ্যাথলেটিক্স)।
২০১১ সালের পদক বিজয়ী ১০ ক্রীড়াবিদ হচ্ছেন– বেগম রওশন আরা ছবি (জিমনাস্টিক), সার্জেন্ট মো. কাঞ্চন আলী অবসরপ্রাপ্ত (বক্সিং), মো. আশরাফ আলী (রেসলিং), বেগম হেলেনা খান ইভা (ভলিবল), খালেদ মাসুদ পাইলট (ক্রিকেট), মো.রবিউল ইসলাম (ফটিক দত্ত) (বডিবিল্ডিং), জুম্মন লুসাই (হকি, মরনোত্তর), কুতুবুদ্দিন মোহাম্মদ আকসির (সংগঠক), আশিকুর রহমান মিকু (সংগঠক) এবং শহীদ শেখ কামাল (ক্রীড়াবিদ এবং সংগঠক, মরণোত্তর)।
২০১২ সালের পদক বিজয়ী ১২ ক্রীড়াবিদ হচ্ছেন– সাকিব আল হাসান (ক্রিকেট), মো. মহসিন (ফুটবল), খুরশীদ আলম বাবুল (ফুটবল), আশিষ কুমার ভদ্র (ফুটবল), মো.আব্দুল গাফ্ফার (ফুটবল), সত্যজিৎ দাস রুপু (ফুটবল), ফিরোজা খাতুন (এ্যাথলেটিক্স), নাজিয়া আখতার জুথি (ব্যাডমিন্টন), আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিবউদ্দিন আহমেদ চপল (সংগঠক), আ.ন.ম মামুনুর রশিদ (হকি), উন্মে সালমা রফিক (সংগঠক, মরণোত্তর) এবং নুরুল আলম চৌধুরী (সংগঠক)।










