মরনে মরকেলের দুর্দান্ত বোলিং এবং ডি ককের সেঞ্চুরিতে রাজকোটের তৃতীয় ওয়ানডেতে ভারতকে ১৮ রানে হারিয়েছে সফরকারী সাউথ আফ্রিকা। এই জয়ে ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ২-১ এ এগিয়ে গেলো প্রোটিয়ারা।
টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ডি ককের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ২৭০ রান সংগ্রহ করে সাউথ আফ্রিকা। ২৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিলো ভারতীয়রা। রোহিত শর্মা এবং শিখর ধাওয়ানের ওপেনিং পার্টনারশিপ থেকেই তারা তুলে নেয় ৪১ রান।
১১তম ওভারে ধাওয়ানকে ফিরিয়ে আফ্রিকানদের পক্ষে প্রথম সাফল্য এনে দেন মরনে মরকেল। ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ধাওয়ানের সংগ্রহ ছিলো ১৩ রান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে কোহলিকে সঙ্গী করে ৮২ রানের জুটি উপহার দেন রেহিত।
ডুমিনির শিকার হয়ে ফেরার আগে রোহিতের সংগ্রহ ছিলো ৬৫ রান। দলীয় স্কোর তখন ১১৩। রোহিতের বিদায়ে কোহলির সঙ্গী হন অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি। দুজনে স্কোর বোর্ডে জমা করেন ৮০ রান। ধোনি দলীয় ১৯৩ রানে আউট হলে কোহলিকে আর কেউ তেমন সঙ্গ দিতে পারেনি। দলীয় ২১৬ রানে কোহলিও বিদায় নিলে ২৫২ রানে থামে ভারতীয়দের ইনিংস। কোহলি ৯৯ বল থেকে সংগ্রহ করেন ৭৭ রান।
প্রোটিয়াদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন মরনে মরকেল।
এর আগে, ডি ককের সেঞ্চুরি এবং ডু প্লেসিসের হাফ সেঞ্চুরিতে ভারতের সামনে ২৭১ রানের টার্গেট দেয় সাউথ আফ্রিকা।
প্রোটিয়াদের ওপেনিং জুটিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়। হাশিম আমলা পরিবর্তে ডি ককের সঙ্গী হয়ে আসেন ডেভিড মিলার।
ওপেনিং জুটি থেকেই তারা তুলে নেন ৭২ রান। ১৪তম ওভারে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে মিলার বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন ডি কক।
ওপেনিং থেকে ওয়ান ডাউনে নেমে অবশ্য থিতু হতে পারেননি আমলা। স্কোর বোর্ডে ১৫ রান যোগ হতেই ব্যক্তিগত ৫ রানে হরভজন সিংয়ের শিকারে পরিণত হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আমলা।
তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ডি কক এবং ডু প্লেসিসের ১২২ রানের জুটি বড় সংগ্রহের পথ দেখায় প্রোটিয়াদের। তবে মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ডু প্লেসিস ও ডি কক ফিরে গেলে আবারও আটকে যায় সফরকারীদের রানের চাকা।
ডু প্লেসিস ৬০ রানে মোহিত শর্মা এবং ডি কক ১০৩ রানে রান আউট হন। দলীয় স্কোর তখন ২১০ রান।
এরপরে ডি ভিলিয়ার্স ৪ ও ডু প্লেসিস ১৪ রানে ফিরে গেলে ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রানে আটকে যায় প্রোটিয়াদের ইনিংস। শেষ দিকের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শুধু মাত্র ফারহান বেহারদিয়ান করে ৩৩ রান।
ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন মোহিত শর্মা।






