প্রতিপক্ষ যত কঠিন হোক না কেন ১২০ বলে ১১৯ রানের লক্ষ্য পেলে জয় ছাড়া আর কিছুই ভাবার অবকাশ থাকে না। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে বড় একটা সুযোগই পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মন্থর ব্যাটিংয়ে সেটি হাতছাড়া করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ইংলিশ পরীক্ষায় হারতে হয়েছে ২১ রানে।
২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। লো-স্কোরিং ম্যাচে আলো কেড়েছেন সোবহানা মোস্তারি। ইংলিশদের খানিকটা ভুগিয়েছেন এ ডানহাতি ব্যাটার। ৪৮ বলে ৪৪ রানের দারুণ ইনিংস খেললেও দলকে জেতাতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ছেড়েছেন মাঠ। একটি করে চার-ছয়ে সাজান ইনিংস। আউট হন ১৯তম ওভারে।
৪.১ ওভারে ১৭ রানে দুই ওপেনারকে হারানো বাংলাদেশ প্রতিরোধ গড়ে সোবহানা ও জ্যোতির ব্যাটে। ১২তম ওভারের প্রথম বলে চার মেরে দলীয় ফিফটি পূর্ণ করেন সোবহানা। তখনও ম্যাচে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ওই ওভারেই ঘটে বিপত্তি। রান আউটের শিকার হন জ্যোতি। বাংলাদেশ অধিনায়ক ২০ বলে দুটি চারে করেন ১৫ রান। পরের ওভারে স্বর্ণা আক্তার বোল্ড হন লেগ স্পিনার সারাহ গ্লেনের বলে।
অসাধারণ বোলিং করেন লিন্সে স্মিথ। ৪ ওভারে মাত্র ১১ রানে দুটি উইকেট তুলে নেন এ বাঁহাতি স্পিনার। অফস্পিনার চার্লি ডিন ৪ ওভারে ২২ রানে শিকার করেন দুই উইকেট।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার ব্যাট করে ইংল্যান্ড তুলতে পারে ৭ উইকেটে ১১৮ রান। ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার মায়িয়া ব্রুচার ও ড্যানি ওয়াট-হজ। প্রথম ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৩ রান। পাওয়ার প্লে’র শেষের তিন ওভারে ৬টি চার চার মেরে রানটা পঞ্চাশের কাছাকাছি নিয়ে যান এই দুই ব্যাটারই।
সপ্তম ওভারে ব্রুচারকে মিড অনে নাহিদার ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন রাবেয়া। ১৮ বল খেলে ৩ চারে ২৩ রান করেন ব্রুচার।
পরের ওভারে ফাহিমা এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নাট স্কিভার-ব্রান্টকে। দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর ইংল্যান্ডের রান তোলার গতি মন্থর হয়ে যায়।
ড্যানি ৪০ বলে ৫টি চারে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন। অ্যামি জোন্সের ব্যাট থেকে আসে ১৬ বলে ১২ রান। বাকি কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক।
নাহিদা আক্তার, ফাহিমা খাতুন ও ঋতু মনি নেন দুটি করে উইকেট। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানে একটি উইকেট নেন রাবেয়া খান।








