‘আমার হাতে কেউ কি কিছু পেয়েছেন? আমাকে কেউ মদ খেতে দেখেছেন? এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট তথ্য। আমার সম্মান নষ্ট করার ষড়যন্ত্র।’ সংবাদ মাধ্যমের কাছে আজ শনিবার এভাবেই বললেন চিত্রনায়ক শাকিব খান।
গভীর রাতে ভোট গণনাকক্ষে আপনি কেন ঢুকেছেন? এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘শিল্পী সমিতির নির্বাচনে এবার ভোটারের সংখ্যা ৬২৪। সন্ধ্যা ছয়টায় ভোট শেষ হয়। রাত তখন দেড়টা-দুইটা বেজে গেছে অথচ ভোট গণনা শেষ হচ্ছে না। এরই মধ্যে অনেক শিল্পী বন্ধু আমাকে ফোন করে এফডিসিতে গিয়ে পরিস্থিতি দেখতে অনুরোধ করেন। ভাবলাম, সবার অনুরোধ রক্ষা করা দরকার। তাই তখন পরিস্থিতি ঘুরে দেখতে ভোট গণনাকক্ষে যাই।’
ওই সময় শাকিব খানকে নিয়ে বিভিন্নজন নানা মন্ত্যব্য করেন। এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমকে শাকিব খান বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু লোকের আমার প্রতি ক্ষোভ জন্ম নিতে পারে। তারা হয়তো এ–ও মনে করতে পারে, আজ শাকিব খান না থাকলে তারাই স্টার। আমি আগে থেকে বলছি, শাকিব খানকে ঠেকানোর জন্য একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগে গেছে। তাদের ধারণা, আমাকে সরিয়ে দিতে পারলে কেউ হয়তো বড় স্টার হয়ে যেতে পারবে?’
আজ শনিবার এফডিসিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে যখন ভোট গণনা চলছিল, তখন হঠাৎ রাত দেড়টা নাগাদ এফডিসিতে আসেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। এ সময় তিনি জোর করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ঢুকে যান। গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনার মনতাজুর রহমান আকবর চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘শাকিব খান হঠাৎ ভেতরে ঢুকে পড়ে। সে ভোট গণনার ব্যাপারে জানতে চায়। এ সময় সে মদ্যপ ছিল। আমরা তাকে বুঝিয়ে বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছি। তিনি বের হতে চাননি। ওই সময় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ের বাইরে বেশ হট্টগোল শুরু হয়। আমরা পুলিশকে ডাকতে বাধ্য হই। পরে পুলিশ এসে শাকিব খানকে পাহাড়া দিয়ে এফডিসির গেটের বাইরে দিয়ে আসে।’
এ সময় শাকিব খানের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ করা হয়, তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার জন্যই ভোট গণনাকক্ষে ঢুকেছিলেন। কিন্তু সবার প্রতিবাদে তা ব্যর্থ হয়েছে। এবার নির্বাচনে ওমর সানি ও অমিত হাসান প্যানেলকে সমর্থন জানান শাকিব খান।
এবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর আর সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। সর্বশেষ সভাপতি হিসাবে গত পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন শাকিব খান।









