এক ফিলিপিনো কর্মীকে মঞ্চে চুমু দেওয়ার অভিযোগে প্রবলভাবে সমালোচিত হচ্ছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে।
সাউথ কোরিয়ায় একদল মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলেন দুতার্তে। সেখানেই মেয়েটিকে মঞ্চে ডেকে নেন তিনি এবং তাকে চুমু দেন।
চুমু দেওয়ার পরে সেখানকার ভিড়ের মধ্যে থেকে উল্লাসধ্বনি আসে। যেখানে উপস্থিত বেশিরভাগই ছিলো ফিলিপাইনের কর্মী।
তবে তার এই আচরণকে ‘নারীবিদ্বেষী প্রেসিডেন্টের বিরক্তিকর নাটক’ হিসেবেই অভিহিত করেছে ফিলিপাইনের অধিকার দল গ্যাব্রিয়েলা।
অবশ্য চুমুর ঘটনায় সম্পর্কযুক্ত নারীটির বক্তব্য, এই চুমুতে কোনো আক্রোশ ছিলো না।
এবারই প্রথমবার নয় যখন কোনো নারীর প্রতি আচরণের জন্য সমালোচিত হলেন দুতার্তে।
সিউলের সেই আয়োজনে দুটি ফ্রি বইয়ের কপি দেওয়ার জন্য স্টেজে ডেকে নেন দুজন নারীকে। নারী দুজনকেই সেসময় খু্বই উচ্ছসিত দেখাচ্ছিলো। তিনি প্রথম নারীকে জড়িয়ে ধরেন এবং গালে চুমু দেন। এরপর দ্বিতীয় নারীকে ঠোঁটে চুমু দেন।
সেখানে উপস্থিত সবাই খুবই উল্লাসধ্বনি দিলেও অনলাইনে সবাই নেতিবাচক বক্তব্য দেওয়া শুরু করে দুতার্তের প্রতি।
অধিকার বিষয়ে সোচ্চার দলগুলোর বক্তব্য, তার বারবার করা এসব পুরুষত্বের আচরণ বিচারবহির্ভূত হত্যা, আয়কর পুনর্নিধারণ এবং দীর্ঘ সময়ের দুর্নীতির স্ক্যান্ডাল ঢাকার জন্য একটি বিনোদনমূলক আচরণ।
এর আগে ২০১৬ সালে নির্বাচনী প্রচারণার সময়ে ১৯৮৯ সালে দাভাওতে মেয়র থাকার সময়ে এক অস্ট্রেলিয়ান নারী মিশনারীর হত্যা ও ধর্ষণের বিষয়ে কথা বলেও সমালোচিত হন তিনি।
এই বছরের শুরুতে দুতের্তে ফিলিপাইনের সেনাদের বলেন, নারী কমিউনিস্ট বিদ্রোহীদের যোনীতে গুলি করা উচিত। দুটি বক্তব্যের কারণেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রবলভাবে সমালোচিত হন দুতার্তে।







