প্রশাসন ও পুলিশ ব্যবহার করে তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকার ভোট ডাকাতির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবীতে আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। দলের ৬১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এ সভা আয়োজন করে ন্যাপ-ভাসানী।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচনও খুলনা-গাজীপুর মডেলের নির্বাচন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। ‘নিজেদের লোক দিয়ে তারা নিজেদের মার্কায় সীল মেরে নিজেদেরকে নিজেরাই বিজয়ী ঘোষণা করে’- আর এটাই হলো খুলনা-গাজীপুর মডেলের নির্বাচন।
তিনি বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে তিন সিটির নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি ও ২০ দলীয় নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার করে গ্রেপ্তারকৃতদের পার্শ্ববর্তী জেলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে।
বিএনপি নেতা বলেন, আসন্ন তিন সিটি নির্বাচন শেষে জনগণের কাছে এই সরকারের কদর্য চেহারা চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হবে। এতে করে জনগণ সিদ্ধাত নিতে পারবে যে আগামীতে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে কি হবে না। এরপর নিজেদের অধিকার আদায়ে জনগণ রাস্তায় নামবে। আমরাও জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল দল হিসেবে রাস্তায় নামবো।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারকে পতন করতে হলে আন্দোলনের বিকল্প নেই। নিজেদের অধিকার আদায়ে রাস্তায় নামবে জনগণ। তবে তারা হুইসেল দিয়ে রাস্তায় নামবে না।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরো বলেন, দেশের সকল মানুষ ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায়। আর খালেদা জিয়া ছাড়া কখনো অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র পুরুদ্ধার হবে না। সবার আগে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তার নেতৃত্বে আমরা এ দেশে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের জন্য আন্দোলন করবো।







