ভোগান্তির আরেক নাম এখন জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন জটিলতা। সেবা দেয়াতো দূরের কথা, হাজারো মানুষকে বাইরে রেখে প্রধান দরজায় তালা ঝুলিয়ে ভেতরে নির্বিকার বসে থাকছেন অফিস কর্তারা। এমনকি কয়েক বছর ঘুরেও সমাধান না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন।
কোথায় যাবে…. কার কাছে যাবে… কতোদিন ধরে কতো চক্কর কাটতে হবে…. এসব প্রশ্নের জবাব দেয়ারও কেউ নেই। সমাধানের আশায় দিনের পর দিন মাসের পর মাস কখনো বছর ধরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকল্পের প্রধান কার্যালয়ে ঘুরছে মানুষ।
সমাধান না পেয়ে রাগ আছে তাদের, ক্ষোভও আছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিরুপায় সবাই। একদিকে দাঁড়াবার জায়গা নেই, অন্যদিকে তথ্যকেন্দ্রটিও লোকশূন্য। জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুলের কারণে ভোগান্তিতে পড়া ভোটারদের সেবা দেবার বদলে দরজায় লাগানো হয়েছে তালা।
কারও নামের একটি অক্ষরে ভুল, কারো বয়সের সংখ্যায় হেরফের। আবার কারো ঠিকানা বদল। এরকম জটিলতায় পড়া দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ চাহিদা অনুযায়ী সব তথ্য দেয়ার পরও জটিলতা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। কর্মকর্তারা বলছেন নিরিবিলি কাজের জন্যই দরজায় তালা।
জাতীয় পরিচয় প্রকল্প বিভাগের ডিজি বলেন, আমরা তালা লাগিয়েছি এটা আসলে ঠিক না। কাজটি সুন্দরভাবে করবার জন্য এটা করা হচ্ছে। আসলে অনেক দরখাস্ত জমা পড়ে যাওয়ার কারণে সংশোধশন করতে সময় লাগছে। তবে আশা করছি মার্চ আসতেই জমা পড়ে যাওয়া কাজগুলো শেষ করে নতুন কাজ শুরু করতে পারবো।
জটিলতার কারণে এখন জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের কাজ এলাকায় এলাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে যারা আবেদনপত্র এখানে জমা দিয়ে ঘুরছেন তারা কবে নাগাদ সঠিক পরিচয়পত্র পাবেন সেই নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না কেউ।







