বৈজ্ঞানিক কল্প কাহিনীর সেই যন্ত্র মানব সাইবর্গ যেন সত্যি সত্যি বসবাস করা শুরু করেছে মানুষের প্রতিবেশী হয়ে।
অর্ধেক মানব আর অর্ধেক যন্ত্র মিলেই হয় সাইবর্গ। যা দেখতে আদতে একজন মানুষই। কিন্তু শরীরের ভেতরে বসানো থাকে অ্যান্টেনা বা যন্ত্র।
তেমনই একজন অ্যাভান গ্রেড আর্টিস্ট ও সাইবর্গ কর্মী হলেন মুন রিবাস। এই নৃত্য শিল্পী একজন আইন স্বীকৃত সাইবর্গ।
এবার তিনি করছেন অভিনব এক কর্ম। যা কাজে লাগবে মানব সভ্যতার জন্য। তার শরীরের ভেতরে লাগানো যন্ত্রটি এখন থেকে ভূমিকম্প নির্ণয়ে কাজে লাগবে।
পৃথিবীর যে কোন প্রান্তেই ভূমিকম্প হোক না কেন- তা টের পাবে এই সাইবর্গ। এবং ভূমিকম্পের ডাটা সংরক্ষিত হবে তার শরীরের যন্ত্রে ।
মজার ব্যাপার হলো ভূমিকম্প যত জোরে হবে তিনি তত জোরে কাঁপতে থাকবেন। রিবাস তারপর সেই সংকেতকে গান ও নাচে পরিণত করবেন। ভূমিকম্প শুরুর কিছুক্ষণ আগে থেকেই হালকা কাঁপুনি দেবে তার শরীর।
রিবাস বলেন, ‘আমি একজন নৃত্যশিল্পী এবং কোরিওগ্রাফার। আর তাই আমি আমার শিল্পটাকে গভীর কোন কাজে লাগাতে চাই’।
কিন্তু কীভাবে কাজ করবেন তিনি? সেটা নিয়ে কৌতুহল থেকেই যায়। তার উত্তরটাও দিলেন তিনি। যখনই পৃথিবীতে কোন ভূমিকম্প আঘাত হানবে আমি সেই কম্পের তীব্রতা অনুযায়ী নড়তে থাকবো। এটাকে পৃথিবী আর আমার একটা দ্বৈত পরিবেশনা বলতে পারেন। এখানে পৃথিবী নিজেই যেন কোরিওগ্রাফার। আর তার নির্দেশনা অনুসারে আমি নাচতে থাকবো।
এটাই প্রথম নয় রিবাস এ ধরণের শিল্প আগেও প্রদর্শন করেছেন। এ ছাড়া ছোটবেলার বন্ধু নীল হারবিসন -এর সঙ্গে মিলে প্রতিষ্ঠা করেছেন সাইবর্গ ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থা।
রিবাস বিশ্বাস করেন পৃথিবীর আরো অনেক শিল্পী প্রযুক্তিকে তাদের পার্ফমেন্সের ক্ষেত্রে কাজে লাগাবে।







