ভোরে ভূমিকম্পের সময় আতংকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা, রাজশাহী ও লালমনিরহাটে তিনজন মারা গেছেন। তীব্র ঝাঁকুনি ও দুলুনিতে আতকিংত হয়ে বাড়ী থেকে রাস্তায় নামতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৬২ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩০ এবং রাজধানীতে ৩২ জন আহত হয়েছেন। পুরনো ঢাকাসহ রাজধানীর কয়েকটি ভবনে ফাটলও দেখা দিয়েছে।
ভোর ৫টা ৭ মিনিটে হঠাৎই তীব্র ঝাঁকুনিতে জেগে ওঠে রাজধানীবাসী। আতংকিত অনেক মানুষ হুড়োহুড়ি করে নেমে আসে রাস্তায়। কয়েক জায়গা থেকে ভূমিকম্পের পর পরই আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হতে থাকে। এর মধ্যে জুরাইনের আতিকুর রহমান নামে ২৩ বছরের একজন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। অন্য আহতদের বেশিরভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আতংকও ছড়িয়েছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনেক শিক্ষার্থীই নেমে এসেছিলো নীচে।
এরকম ভূমিকম্পে ঝুঁকিতে থাকা পুরনো ঢাকার শাঁখারি বাজারের একটি ভবনের নীচতলায় বড় আকারের ফাটল দেখা দেয়। তবে বাড়ির লোকজন দ্রুতই নেমে যায়।
এছাড়া তিনটি বহুতল ভবন হেলে পড়েছে রাজধানীর কদমতলী, নাজিরা বাজার ও বাংলাদেশ মাঠ এলাকায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ওই ভবনগুলোতে অবস্থান করছেন বাসিন্দারা।
ঢাকার একজনের বাইরে রাজশাহী ও লালমনিরহাটে আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সিলেট শহরের বিভিন্ন উঁচু ভবন থেকে তাড়াহুড়ো করে বেরুতে গিয়ে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। গত কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে এটি ছিলো সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।






