রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভারতের আসামে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। ভারতের সেই হালকা ভূমিকম্প বাংলাদেশ, নর্দার্ন মিয়ানমার এবং ভুটানেও অনুভূত হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, সকাল এগারোটা সাতাশ মিনিটে এই মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বাংলাদেশে সেটার মাত্রা ছিলো রিখটার স্কেলে ৪.৭। বাংলাদেশ সিসমিক সেন্টার থেকে ৪৩৬ কিলোমিটার পূর্ব ও উত্তরপূর্ব অঞ্চলে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পটি মৃদু হওয়ায় এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছে অবস্থিত ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে ৫৯ কিলোমিটার দূরে অ্যাম্বাসাতে।
ভারতেও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তারপরও সরকারের পক্ষ থেকে দূরবর্তী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এবারই ৫ মাত্রার উপরের কোন ভূমিকম্পের প্রথম কেন্দ্রস্থল ছিলো ত্রিপুরা। গত বছর আমেরিকার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা জানিয়েছিল, বাংলাদেশ এবং এর আশেপাশে একটি বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে।
২০০৪ সালে এমনই এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামিতে দুই লাখ ৩০ হাজার মানুষ মারা যান।










