পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ গোলের ‘অপ্রত্যাশিত’ হারটা নেপালকে তাঁতিয়ে রেখেছিল হয়ত। পরের ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে তেড়েফুঁড়ে খেলা যেন সেটিরই ফল! র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা প্রতিবেশী দেশটির বিপক্ষে রীতিমত ছেলেখেলা করে এবারের সাফে নিজেদের প্রথম জয় তুলে সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে নেপাল।
সাফ সুজুকি কাপে বৃহস্পতিবার ভুটানকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে টুর্নামেন্টের একবারের চ্যাম্পিয়ন নেপাল। সেমিতে যেতে হলে গ্রুপ ‘এ’তে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে অন্তত একটি পয়েন্ট পেতেই হবে দলটির।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে একচেটিয়া খেলে ২১ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচের দখল নেয় নেপাল। সময়টাতে সুনীল বালের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন ডিফেন্ডার অনন্ত তামাং।
পরের ৪৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের জালে আরও তিন গোল জড়ায় নেপাল। যদিও ৬৫ মিনিটে সমতা প্রায় ফিরিয়েই ফেলেছিল ভুটান। চেনচো গেলতেসেনের পাস ধরে সেন্ডা দর্জি গোল করলেন আটকা পড়ে যান অফসাইডের ফাঁদে।
পাঁচ মিনিট পরেই ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় ভুটানিজরা। নিজেদের ডি-বক্সে নিরঞ্জন খাদকাকে ফাউল করে নিমা ওয়াংডি নিজে লাল কার্ড তো দেখেছেনই, সঙ্গে উপহার দিয়েছেন পেনাল্টি। বিমল ঘাটরি মাগারের স্পটকিক অবশ্য ভুটান গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু ফিরতি বলে শট নিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন পুরো ম্যাচে দারুণ খেলে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল পাওয়া মিডফিল্ডার সুনীল বালে।
ম্যাচের ৭৬ মিনিটে বদলি হয়ে নেমেছিলেন ভারত খাওয়াস। নেমেই তিন মিনিট বাদে প্রথম শটে নেপালিদের ৩-০তে এগিয়ে দেন এ ফরোয়ার্ড। আর নির্ধারিত সময়ের ২ মিনিট আগে সুনীল বালের কর্নার শট আরেক বদলি খেলোয়াড় নিরঞ্জন খাদকার হেড ঘুরে জালে জড়ালে বড় জয়ই পায় ২০১৩ সালের সাউথ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।







