দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এতে আমরা বিপদে পড়েছি। তাই ভবিষ্যতে এই সমস্যা নিরসনে আমাদের পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে ৩ দিনব্যাপী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০১৯’ এর প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভাগ্য ভালো, মিয়ানমারের সঙ্গে ল্যান্ড কানেকশন থাকায় পেঁয়াজ আমদানি করতে পেরেছি। কিন্তু টেকনাফে ল্যান্ড করতে পেঁয়াজের আমদানি খরচ প্রতিকেজি পড়েছে ৭৫ টাকা। তাই পেঁয়াজের দাম কমছে না।
ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করতে হলে পেঁয়াজের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে জানান তিনি।
পেঁয়াজের দাম না কমার জন্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দায়ী মন্তব্য করে টিপু মুনশি বলেন, সরকারের ১০টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। কিন্তু মনিটরিং করে পেঁয়াজের দাম শতভাগ কমিয়ে আনা সম্ভব নয়। কারণ এত জনবল নেই।
তিনি বলেন, মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এতো দূর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে ব্যবসায়ীদের মাইন্ড সেটআপ করতেও একটু সময় লেগেছে। তাই ধীরে ধীরে পেঁয়াজের বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।
রপ্তানি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি আয় ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার। চামড়াজাত শিল্পকে দ্বিতীয় রপ্তানি পণ্যে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য যা করণীয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে ব্র্যান্ডিং অনেক বড় বিষয়। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য রপ্তানি বাড়াতে হলে এর কোয়ালিটি বাড়াতে হবে।
লেদারটেক বাংলাদেশ-২০১৯’র সপ্তম এই আসরের আয়োজন করেছে আস্ক ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন্স প্রাইভেট লিমিটেড। এছাড়াও লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ তৃতীয়বারের মতো আয়োজন করেছে বাংলাদেশ লেদার ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদারগুডস ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং শো-২০১৯।
আইসিসিবির ৫টি হলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এ প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের ৩০০টিও বেশি প্রতিষ্ঠান ফিনশিড লেদার, ট্যানিং লেদারের জন্য মেশিনারি, ম্যানুফ্যাকচারিং ফুটওয়্যার, চামড়াজাত পণ্যের প্রযুক্তি প্রদর্শন করছে।








