পাকিস্তান সফরে স্বাগতিক দেশের পেসারদের সাবলীলভাবে সামলেছে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডিতে মুশফিক-লিটনদের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারেননি কেউ। বাড়তি পেসার খেলিয়েও সুবিধা করতে পারেনি শান মাসুদের দল। তাদের হোয়াইটওয়াশ করার পর ভারত সফর ঘিরেও স্বপ্ন বুনছে বাংলাদেশ। ভারতের মাটিতে কাজটা যে মোটেও সহজ নয়; সেটি একবাক্যে মানছেন সবাই। টেস্টের বিশ্বসেরা দলটির স্পিন আক্রমণ সামলানো হতে পারে বড় চ্যালেঞ্জ।
রবীচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল ও কুলদীপ যাদব আছেন স্পিন বোলিং আক্রমণে। বাংলাদেশের আক্রমণেও চার স্পিনার- সাকিব আল হাসান, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান। মূল লড়াইটা হতে পারে স্পিনারদের মাঝেই।
পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশের স্পিনার-পেসার উভয় বিভাগই ভালো করেছে। তাতে মিলেছে সাফল্য। ভারতও দুই বিভাগেই শক্তিশালী। পেসের বিপক্ষে পাকিস্তানে ভালো করায় বাংলাদেশকে তারা চাইতে পারে নিজেদের কন্ডিশনে স্পিন দিয়ে ঘায়েল করতে।
পাকিস্তান সফরের মতো ব্যাটারদের কাজটা সহজ হবে না মোটেও, বলছেন নির্বাচক হান্নান সরকারও। বৃহস্পতিবার ভারত সিরিজের দল ঘোষণার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সাবেক ওপেনার। তিনি ভারতের স্পিনকে যথেষ্ট সমীহ করছেন।
কারণ হিসেবে বললেন, ‘ভারত বিশ্বের এক নম্বর দল। পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করলে তারা অনেক এগিয়ে। জাদেজা-অশ্বিনের মতো স্পিনার তাদের রয়েছে। অবশ্যই আমাদের ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে আমাদের দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার অনেক অভিজ্ঞ। অনেক ম্যাচ খেলেছে তারা। যেহেতু ফর্মে আছে, তাতে ভারতে লড়াই করার মতো দল আমরা।’
চোটে থাকা শরিফুল ইসলামকে বাইরে রেখে একজন ব্যাটার বাড়ানো হয়েছে। প্রথমবার টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন মিডলঅর্ডার ব্যাটার জাকের আলী অনিক। তরুণ তারকা টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। হুট করে চলে এলেন লাল বলের ক্রিকেটে।
তাকে অন্তর্ভুক্তির ব্যাখ্যায় নির্বাচক বললেন, ‘আমরা একটা জিনিস মাথায় রেখেছি, কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষ। সেই জায়গা থেকে আমরা পাকিস্তানে ৫ জন পেসার নিয়ে গিয়েছিলাম। এবার আমরা একজন পেসার কমিয়েছি। সেই জায়গায় একজন ব্যাটসম্যান বাড়িয়েছি, মিডলঅর্ডার স্পেশালিস্ট। আমাদের টিম কম্বিনেশনে মনে হয়, মিডলঅর্ডারে একটা বিকল্প বাড়ানো দরকার, কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষ বিবেচনায়। তাই ব্যাটসম্যান বাড়িয়েছি।’







