শাকিব এখন শুধু বাংলাদেশের হিরো নয়, তিনি এখন কলকাতার হিরো হিসেবেও
দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। আগামী ১২ আগস্ট ভারতে মুক্তি পাচ্ছে শাকিব
খান অভিনীত যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘শিকারী’। এরইমধ্যে শাকিব খান ভারতের
বিভিন্ন রাজ্য চষে বেড়িয়েছেন এ সিনেমার প্রচারণায়।
ভারতের ছোট পর্দার টিভি সিরিয়াল ‘গানের ওপারে’ খ্যাত নির্মাতা জয়দীপ ভারতের হয়ে ছবিটি পরিচালনা করেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেয়া এ সাক্ষাতকারে অকপটে জয়দীপ বললেন, কলকাতার হিরো দেব ও জিতের চেয়ে কোনো অংশে কম নয় নায়ক শাকিব খান।
সাক্ষাতকারে নির্মাতাকে প্রশ্ন করা হয় টালিগঞ্জে তো নায়কের অভাব নেই। তবু ‘শিকারী’ ছবিতে বাংলাদেশের নায়ক কেন? উত্তরে জয়দীপ বলেন, আসলে এই ছবিটা একটা পুরো টিমওয়ার্ক। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার ছবি।
এখানকার প্রযোজক এসকে মুভিজের অশোক ধানুকা, হিমাংশু ধানুকা আর বাংলাদেশের প্রযোজক জ্যাজ মাল্টিমিডিয়ার আবদুল আজিজ আমরা সবাই মিলে মিটিং করেছিলাম।
এই ধরনের যৌথ প্রযোজনায় দুই বাংলা থেকেই শিল্পী নেওয়া হয়। তবে এর আগে বেশিরভাগ যৌথ প্রযোজনার ছবিতেই বাংলাদেশ থেকে নায়িকা নেওয়া হয়েছে আর এখান থেকে নায়ক। এবার আমরা ঠিক করলাম বাংলাদেশ থেকে নায়ক নেওয়া হবে। সেই ক্ষেত্রে শাকিবের নামটাই প্রথম এল, কারণ এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্টার শাকিব খান।
জয়দীপ আরো বলেন, আমরা চেয়েছিলাম এখানকার দর্শকদের একজন নতুন নায়ক উপহার দিতে। সেই হিসেবেই শাকিব খান। এতদিন ধরে অনেক হিরো তো এখানকার দর্শক দেখলেন। এবার ওরা একজন নতুন হিরোর স্বাদ পান, এটাই চেয়েছিলাম।
এ ছবিতে আপনারা জিৎ বা দেবের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে শাকিবকে তুলে ধরতে চাইছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে জয়দীপ বলেন, সেটা বললেও মোটেই বাড়াবাড়ি হবে না। কারণ, জিৎ বা দেবের চেয়ে কোনো অংশে কম না শাকিব খান।
কিং খান শাকিব খানের সম্পর্কে এ নির্মাতা আরো বলেন, সত্যি বলতে কী, এই ছবিটার কাজ শুরু করার আগে পর্যন্ত শাকিবের সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। কিন্তু যখন এই ছবির নায়ক হিসেবে শাকিবের নাম চূড়ান্ত হল তখন ওর ছবি দেখা শুরু করলাম। 
ওর দুটো ছবি দেখেছিলাম। আর তারপর ‘শিকারী’। ওর যা কাজ দেখলাম, তাতে স্বচ্ছন্দে ওকে জিৎ বা দেবের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভাবা চলে।
ভারতীয় স্বাধীনতা দিসব উপলক্ষে ‘শিকারী’ সঙ্গে মুক্তি পাবে আরো তিনটি ছবি। এর মধ্যে রয়েছে হৃতিক রোশনের ‘মাহেঞ্জোদারো’, অক্ষয় কুমারের ‘রুস্তম’ ও বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসানের ‘ঈগলের চোখ’।








