ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের জন্য প্রতিরক্ষা বিষয়ক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করাও বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র মহাসচিব রিজভী আহমেদ। কেননা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে তা চুক্তি সম্পাদনের পথে একটা বাধ্যবাধকতা তৈরি করবে মনে করেন তিনি।
‘দেশের স্বার্থ সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তিসহ যেকোনো চুক্তি হতে পারে, কোনো চুক্তিই গোপন রাখা হবে না’ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে রিজভী আহমেদ এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ভারতের সঙ্গে অতীতে দেশবিরোধী ট্রানজিট, করিডোর ছাড়াও আপনারা আরো গোপনীয় ৫০টি চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। যেটি আজও জনগণ জানতে পারেনি। তবে দেশবাসী মনে করে যেনতেনভাবে ক্ষমতাকে আঁকড়ে রাখতে দেশবিরোধী এতোসব কর্মতৎপরতা দেখাচ্ছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী।
তিনি আরো বলেন: বাংলাদেশের সরকার ভারতকে উজাড় করে দেয়, কিন্তু ভারত মিলিমিটারের ভগ্নাংশও বাংলাদেশকে ছাড় দেয় না। ২৫ বছর মেয়াদী প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশে তাদের মিলিটারী হার্ডওয়্যার বিক্রি করতে চায়। ভারতের কাছ থেকে সামরিক হার্ডওয়্যার আমদানি করলে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হবে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এক্সটেনশন মাত্র।
রিজভী বলেন: এই চুক্তি হলে ভারত অস্ত্র কেনার শর্তে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার লাইন অফ ক্রেডিট দেবে, অর্থাৎ এই অর্থ দিয়েই ভারত থেকে অস্ত্র কিনতে হবে। এটি ভারতের ‘কৈ এর তেল দিয়ে কৈ ভাজা’র চানক্য নীতি।








