ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিষয়ে এক সেমিনারে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ডক্টর রেহমান সোবহান বলেছেন, দু’দেশের কানেকটিভিটি বাড়াতে ট্রানজিট-ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য ব্যবহারকারী ভারতের উন্নয়ন অংশীদারত্ব প্রয়োজন।
আর প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দাবি, ট্রানজিট-ট্রান্সশিপমেন্টের যৌক্তিক ফি নির্ধারণ করা না হলে তা কার্যকর হবে না।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইংরেজী দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার এবং ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যাডভোকেসি ও গর্ভনেন্স দিনব্যাপী এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক এবং ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধি উভয়ই মনে করেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বতর্মানে সবচেয়ে বেশি কার্যকর সময় পার করছে।
ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের জন্যই সম্পর্ক দু’দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন। নিরাপত্তা দু’দেশের প্রাথমিক গুরুত্ব হলেও পানি বণ্টন একটি চ্যালেঞ্জ।
সেমিনারে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান বলেন, ভারতকে নৌ-ট্রানজিটের সুযোগ দেয়া হলেও আশুগঞ্জ নৌ-বন্দর এখনো জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। দু’দেশের কানেকটিভিটি বাড়াতে হলে অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে ব্যবহাকারী দেশের অংশীদারত্ব থাকতে হবে।
ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার অভিজিৎ চট্টেপাধ্যায় বলেন, বালাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ভারতীয় ঋণের প্রথম অংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। দ্বিতীয় অংশ তথ্যপ্রযুক্তিসহ জনশক্তির সক্ষমতার কাজে ব্যহহৃত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মশিউর রহমান বলেন, অনেকে সমালোচনা করেন ট্রানজিটের ফি নিয়ে। তারা বলেন, শুল্ক অনেক কম ধরা হয়েছে। কিন্তু আমরা যদি ট্রানজিট ফি বেশি ধরি তাহলে ট্রানজিট কার্যকর হবে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও কখনো খারাপ দৃষ্টিতে দেখা ঠিক নয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, ভারতের মতো প্রতিবেশির সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও সহযোগিতাকে গুড়িয়ে ফেলা উচিত নয়।







