ভারতের মনিপুর চেম্বারের সঙ্গে ব্যবসা, বানিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশের এফবিসিসিআই। এর মধ্য দিয়ে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এই চুক্তির আওতায় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইন্ডিয়ান চেম্বার। ভারতের দিল্লি কিংবা মুম্বাই থেকে মনিপুরে সড়ক পথে পণ্য পরিবহনে যে অর্থ ও সময় ব্যয় হয়, তার চেয়ে অনেক কমে বাংলাদেশ থেকে আগরতলা হয়ে পণ্য আমদানী সম্ভব। এমন পরিসংখ্যান উঠে এসেছে নর্থইস্ট আশিয়ান বিজনেস সামিটে। আর তিন দিনের সামিট শেষে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে মনিপুর চেম্বার ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর সঙ্গে।
বাংলাদেশ ও ভারত নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন যথাক্রমে এফবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট এবং মনিপুর চেম্বারের প্রেসিডেন্ট।
এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট আব্দুল মতলুব আহমেদ বলেন,‘আমরা মনিপুরে গার্মেন্টস কারখানা করতে পারবো, তৈরি পোশাক রপ্তানিও করতে পারবো। তাদের কাছ থেকে সিল্ক বা রেশম শিল্পের সহায়তা পাবো। আমাদের পিছিয়ে পড়া রেশম শিল্প বিশেষ করে রাজশাহীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হবে’।
মনিপুর চেম্বারের প্রেসিডেন্ট বলেন, মনিপুরের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরালো হলো। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-মনিপুরের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগ আরও দৃঢ় হলে এই দুই অংশের মধ্যে বাণিজ্য আরও এগিয়ে যাবে’।
ভারতের উত্তর পূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স।
ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট শিব সিদ্ধান্ত কায়েল বলেন,‘ এই সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমরা আনন্দিত। এটা বাংলাদেশ-মনিপুর আঞ্চলিক বাণিজ্যে সহায়তা করবে। বিমসটেক’র মতো আঞ্চলিক সংস্থাগুলোকেও আরও শক্তিশালী করতে হবে’।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,‘ বিবিআইএম অর্থাৎ বাংলাদেশ, ভুটান,ইন্ডিয়া এবং মিয়ানমারের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছে। বাংলাদেশ-মনিপুর সমঝোতার মাধ্যমে মনিপুরও বাণিজ্যিক যোগাযোগের আওতায় আসলো’।









