চীনের বিরোধীতায় পরমাণু সরবরাহকারী আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর সদস্যপদ পায়নি ভারত। নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপ এনএসজি-তে অন্তর্ভূক্তির ব্যাপারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুরোধের পরও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং’র মন গলেনি।
এনএসজি-তে ভারতের সদস্যপদ পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে শুক্রবারের বৈঠকটি চীনের বিরোধীতায় কোনোরকম সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।
ভারত পরমাণু অস্ত্রপ্রসার রোধ চুক্তি বা ‘এনপিটি’ স্বাক্ষরকারী দেশ নয়, এই যুক্তিতেই ভারতের সদস্যপদ নিয়ে আপত্তি তোলে চীন।
পাল্টা যুক্তি হিসেবে পরমাণু অস্ত্রপ্রসাররোধে ভারতের রেকর্ড খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে ভারতীয় পক্ষের আলোচকরা। ভারত যে পরমাণু অস্ত্রপ্রসাররোধের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তা এনএসজি ২০০৮ সালেই মেনে নিয়েছিল। ভারতের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলেও তখন মেনে নিয়েছিল সদস্য দেশগুলি। তবে শুধু চীন নয়, আরও কয়েকটি দেশের মনোভাবেও বিস্মিত ভারত।
এনএসজি-র ৪৮টি সদস্য দেশের মধ্যে ৩৮টি ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডসহ তিনটি দেশ দাবি করে, এনপিটিতে স্বাক্ষরকারী নয় এমন দেশ কী শর্তে এনএসজি-র সদস্য হতে পারে তা আগে স্থির করা হোক। তার পরে ভারতকে নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
আবার সুইটজারল্যান্ড, ব্রাজিলসহ ছয়টি দেশ দাবি করে, এই দু’টি বিষয়ে একসঙ্গে আলোচনা হোক। সুইটজারল্যান্ড ভারতকে সমর্থন করার আশ্বাস দিলেও কথা রাখেনি। আবার ব্রাজিল জানিয়েছে, তারা ভারতের পাশে আছে। কিন্তু এনপিটি-তে স্বাক্ষরকারী নয় এমন দেশগুলোর এনএসজি-তে যোগ দেওয়ার একটি সাধারণ শর্ত আগে স্থির করা প্রয়োজন।







