বাংলাদেশ অতিক্রম করার পর ভারতের মিজোরাম, মেঘালয় এবং মনিপুর, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল, আসামে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় মোরা। মোরা’র কারণে এসব এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে এই তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মোরা। মঙ্গলবার সকাল নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল দিয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম করবে। বাংলাদেশের পাশাপশি ভারতের কয়েকটি রাজ্যেও প্রভাব পড়বে মোরা’র।
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে আরো এগিয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ প্রবল ঝড়ে রূপ নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোরা’র প্রভাবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেয়া হয়েছে। এছাড়া মংলা ও পায়রা বন্দরের জন্য ৮ নম্বর মহা বিপদ সংকেত দেয়া হয়েছে। সব মাছ ধরার নৌকাকে সাগর থেকে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
সতর্কবার্তার পাশাপাশি মোরা মোকাবেলায় বাংলাদেশে ব্যাপক প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে দূরবর্তী সকল পথে নৌ যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
দেশের ১২টি নদীবন্দরকে সতর্ক করাসহ ছোট ছোট নৌকাগুলোকে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে বলে বিআইডব্লিউটি ’র যুগ্ম পরিচালক জহয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন।
এছাড়াও জরুরী সেবার জন্য চট্টগ্রামে ২৪০টি চিকিৎসক দল গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সকল চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।







