আড়াইদিন বৃষ্টিতে নষ্ট হওয়ার পরও কানপুর টেস্টে হারের মুখে বাংলাদেশ। ড্রয়ের দারুণ সুযোগ সামনে থাকলেও আরেকটি ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রতিপক্ষের সামনে জয়ের সহজ রাস্তা তৈরি হল। ভারতকে মোটে ৯৫ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ১৪৬ রানে। সাদমান ইসলামের ফিফটি ও মুশফিকুর রহিমের ৩৭ রানের ইনিংস ছাড়া প্রাপ্তি কিছুই নেই। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন অভিজ্ঞ মুশি। খালেদ আহমেদকে নিয়ে জুটি গড়ে ভারতকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জাসপ্রীত বুমরাহর স্লোয়ার ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত হয়ে বোল্ড হন।
সকালে অপ্রয়োজনীয় রিভার্স সুইপ খেলার চেষ্টায় অদ্ভুতভাবে বোল্ড হন নাজমুল হোসেন শান্ত। রবীন্দ্র জাদেজাকে উইকেট দেয়ার আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক করেন ১৯ রান। ৩৭ বলের ইনিংসে চারের মার দুটি। একশর আগে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারী দল। পরে দ্রুত ফিরে যান সাদমান ইসলাম-লিটন দাস-সাকিব আল হাসান-মেহেদী হাসান মিরাজও।
সাদমান ইসলাম ১০ চারে ১০০ বল খেলে ফিফটি পূর্ণ করেন। আকাশ দীপের পরে বলেই দেন উইকেট। ৯৩ রানে ৫ উইকেট নেই তখন। ৯৪ রান হতে হতে নেই ৬ উইকেট। লিটন তখন জাদেজার বলে পান্টের গ্লাভসে ক্যাচ দেন। বাংলাদেশের লিড মোটে ৪২ রানের।
দিনের প্রথম বলেই সুইপ করতে গিয়ে ব্যাটের নাগাল পাননি মুমিনুল হক। পরে লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে আবারও করেন একই কাজ। ব্যাট ছুঁয়ে বল জমা পড়ে লেগ স্লিপ ফিল্ডার লোকেশ রাহুলের হাতে। প্রথম ইনিংসের অপরাজিত সেঞ্চুরিয়ান ফিরে যান ২ রান করে।
কানপুর টেস্টের পঞ্চম দিনের শুরুতে উইকেট হারানোয় বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। সেই বিপদ বড় হয়েছে ক্রমেই। ৫২ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিং শুরু করা বাংলাদেশ দেড়শও করতে পারেনি।
ম্যাচের প্রথমদিন ৩৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০৭ রান তোলার পর খেলা বন্ধ হয়েছিল। বৈরি আবহাওয়া ও দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে খেলা শুরুর অপেক্ষা কেবল বাড়তে থাকে। প্রায় আড়াই দিন পর ম্যাচের চতুর্থ দিনে খেলার উপযোগী হয় মাঠ।
১০ ওভারে চলে আসে ৯৯ রান। ৩৪.৪ ওভার ব্যাটিং করে ২৮৫ রানে নবম উইকেট হারানোর পর ইনিংস ঘোষণা করেন রোহিত শর্মা।








