চট্টগ্রাম থেকে: জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম বিপিএলে খুব বেশি দর্শক টানতে পারেনি। তবে যারাই মাঠে এসেছেন টিকেটের টাকা উশুল করেই ফিরেছেন। এখানকার উইকেট টি-টুয়েন্টির চাহিদা মিটিয়েছে পুরোপুরি। বোলারদের নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছেন ব্যাটসম্যানরা, হয়েছে রানের উৎসব।
চার-ছক্কায় ভরপুর বিনোদনের চট্টগ্রাম পর্ব শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। এখানে ম্যাচ হয়েছে ১২টি। অধিকাংশ ম্যাচই হয়েছে হাই-স্কোরিং।
রানের মেলা দেখা গেছে শেষদিনের দুটি ম্যাচেও। দুপুরে সিলেট থান্ডারের করা ১৭৪ অনায়াসে তাড়া করে জেতে ঢাকা প্লাটুন। সন্ধ্যার ম্যাচে ডেভিড মালানের সেঞ্চুরিতে গড়া কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের ১৭০ রান ১৩ বল হাতে রেখেই টপকে যায় রাজশাহী রয়্যালস।
বিপিএল আবার ফিরছে ঢাকায়। দুইদিন বিরতির পর শুক্রবার থেকে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে ব্যাট-বলের লড়াই।
রান উৎসবের মঞ্চে বিপিএলে রেকর্ড রানের ম্যাচও দেখেছে চট্টগ্রামের ভেন্যুটি। শুক্রবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের ম্যাচে দুদলের ইনিংস মিলে হয় ৪৬০ রান। বিপিএলের ইতিহাসে যেটি সর্বোচ্চ।
আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম তোলে ২৩৮ রান। যেটি বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। জবাবে কম যায়নি কুমিল্লা। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ২২২ রান। ৪০ ওভারে দুই দলের রান ছাড়ায় সাড়ে চারশ।
তার একদিন আগেই ভাঙা হয় বেশ পুরনো রেকর্ড। গত বুধবার রাতে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও ঢাকা প্লাটুনের ম্যাচে ৪০ ওভারে ওঠে ৪২৬ রান। একদিন বিরতি দিয়ে ম্যাচ গড়াতেই ভেঙে যায় রেকর্ডটি।
চট্টগ্রাম পর্বে হওয়া ১২টি ম্যাচে ইনিংস প্রতি গড় রান দুইশ’র কাছাকাছি। বোলারদের হতাশার মঞ্চে ব্যাটসম্যানদের কেবলই জয় জয়কার।







